আফগান সরকারের নাটকীয় পতন ও তালেবানদের উত্থানে গোয়েন্দা ব্যর্থতাকে দায়ী করেছেন সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে। অন্যদিকে পরিস্থিতি সামাল দিতে ২০ হাজার আফগান শরণার্থী গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।
মঙ্গলবার (১৭ আগস্ট) ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, যারা গত ২০ বছরে আফগানিস্তানকে একটি উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে আমাদের সাথে কাজ করেছেন তাদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। তাদের মধ্যে অনেকেই, বিশেষত মহিলাদের এখন জরুরিভাবে আমাদের সাহায্যের প্রয়োজন।
২০ হাজার আফগান শরণার্থী গ্রহণের বিষয়ে বরিস জনসন বলেন, কথা নয়, তালেবানদের কর্মকান্ডের উপরই নির্ভর করবে ভবিষ্যৎ সম্পর্ক।
তবে ব্রিটিশ বিশ্লেষকরা বলছেন, বিগত ২০ বছর ধরে পশ্চিমা বিশ্ব যাদের সন্ত্রাসী সংগঠন বলে এসেছিলো সেই তালেবানরাই এখন রাষ্ট্র ক্ষমতায়। আফগানিস্তানে মানবিক বিপর্যয় রোধে ব্রিটেনের ২০ হাজার শরণার্থী গ্রহণ যথেষ্ট নয়।
তালেবানদের আকস্মিক এই উত্থানের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের ভিন্ন সমীকরণ থাকতে পারে বলেও ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা।
তালেবান ঘোষিত ইসলামী শাসন ব্যবস্থা ও নারী স্বাধীনতা নিয়ে নিয়ে ইস্ট লন্ডন মসজিদের ইমাম ও ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে রয়েছে ভিন্ন মত।
তালেবান ঘোষিত ইসলামিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা নিয়ে ইষ্ট লন্ডন মসজিদের বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত প্রভাবশালী প্রধান ইমাম মাওলানা আবদুল কাইয়ুম সন্তুষ্ট থাকলেও ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রীতি প্যাটেল তালেবানদের বিশ্বাস করতে রাজী নন।
আরও পড়ুন: রাজবাড়ীতে পদ্মার পানি বিপদসীমার ২৫ সেন্টিমিটার ওপরে
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রীতি প্যাটেল জানিয়েছেন, শরণার্থী গ্রহণের ক্ষেত্রে যে সকল আফগান ব্রিটেনের হয়ে আফগানিস্তানে কাজ করছিলো তাদের পাশাপাশি ঝুঁকিতে থাকা নারীদের অগ্রাধিকার দেবে যুক্তরাজ্য।
একাত্তর/আরবিএস
