ঈদের পর মেয়র হিসেবে শপথ পাঠ করানোর ব্যবস্থা না করানো হলে জনগণকে সাথে নিয়ে শহীদ মিনারে নিজেই শপথ পড়ে ফেলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আদালতের রায়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটির নির্বাচিত মেয়র ইশরাক হোসেন। এসময়, সরকারের প্রতি নিজেদের অনাস্থার কথাও জানান তিনি। তবে সামনে ঈদের কথা বিবেচনায়, আন্দোলন স্থগিত রাখার ঘোষণা দেন নির্বাচিত এই নগর পিতা।
আদালতের রায় ও নির্বাচন কমিশনের গেজেট। মেয়র হিসেবে শপথ নিতে দুই-ই পেয়েছেন ইশরাক হোসেন। তবুও ঝুলে রয়েছে দক্ষিণ সিটির নগর পিতার শপথ ভাগ্য।
ইশরাককে মেয়র হিসেবে শপথ পড়ানোর দাবিতে ১৮ দিনের মতো অবস্থান কর্মসূচি ও আন্দোলন করছে এ সিটির বাসিন্দারা। ১৫ দিন ধরে বন্ধ রয়েছে নগর ভবনের সব ধরনের সেবা কার্যক্রম। জনগণ পড়ছে ভোগান্তিতে।
তাদের দাবি, ষড়যন্ত্র করেই আটকে রাখা হয়েছে ইশরাকের শপথ।
বিকেলে আন্দোলনে সংহতি জানাতে এসে সরকার শপথ পড়াতে টালবাহানা করছে বলে অভিযোগ করেন ইশরাক হোসেন।
এসময়, ঈদের পর এ নিয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো মতামত না পেলে জনগণকে সাথে নিয়ে শহীদ মিনারে শপথ পড়ে ফেলার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
বলেন, একটা সাধারণ মেয়র দায়িত্ব তারা বুঝিয়ে দিতে চায় না, এতেই বুঝা যায়, তাদের অধীনে কী নির্বাচন হবে। জনমনে সংশয় তৈরি হয়েছে। আমরা যমুনার সামনে যাবার পর তারা আমাদের আশ্বস্ত করেছিলো, এর একটি সমাধানের। কিন্তু তারা টালবাহানা করছে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, তিন জন উপদেষ্টা জাতির জন্য হুমকি। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না।
ইশরাক হোসেন বলেন, নগরভবন কীভাবে চলবে, তা ঢাকাবাসী নির্ধারণ করবে। কোরবানির কথা সামনে রেখে আমরা এই কর্মসূচি শিথিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। নগর ভবনকে অচলের দায় সরকার ও স্থানীয় সরকার উপদেষ্টার ওপর বর্তায়।পরে, ঈদ সামনে রেখে আন্দোলন স্থগিতের ঘোষণা দেন ইশরাক।
ডিসেম্বরের আগেও নির্বাচন সম্ভব: সালাহউদ্দিন আহমেদ