ক্রমেই উত্তপ্ত হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি। গত শুক্রবার ইরানজুড়ে মিসাইল ও ড্রোন হামলায় চালায় ইসরাইল। সঙ্গে সঙ্গেই পাল্টা হামলা শুরু করে ইরান। এরপর থেকে থেমে নেই দুই দেশ। সাইরেন ও মিসাইলের শব্দে প্রকম্পিত হচ্ছে ইরান ও ইসরাইলের বিভিন্ন জনপদ। সেই সঙ্গে চলছে পাল্টাপাল্টি হুমকিও।
এতে ক্রমে খারাপ হচ্ছে পরিস্থিতি। ইসরাইল-ইরানের সংঘাত বেড়েই চলেছে। লাগাতার মিসাইল বর্ষণ করছে দুই পক্ষ। এবার ইসরাইল নিজেদের সবচেয়ে শক্তিশালী মিসাইলগুলোকে প্রস্তুত করা শুরু করেছে। যদি এই মিসাইলগুলো বর্ষণ শুরু করে, তাহলে ইরানের মানচিত্রের একাংশ মুছে যেতে পারে।
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সরাসরি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, শিগগিরই তেহরানের আকাশে ইসরাইলি যুদ্ধবিমান উড়বে। তিনি দাবি করেছেন, তেহরান থেকে আসা দ্বিমুখী হুমকি- পরমাণু অস্ত্র ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলোকে দমন করাই তাদের চালানো অভিযানের মূল উদ্দেশ্য।
জানা গেছে, হামলার মাত্রা বাড়াচ্ছে ইসরাইল। ইরানের হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করেই ইসরাইল ভয়ঙ্কর সব মিসাইল প্রস্তুত করছে। এই মিসাইলগুলো পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম। যদিও তাতে পরমাণু বিস্ফোরক থাকছে না বলেই খবর। কিন্তু ইসরাইল যদি এই মিসাইল ছোঁড়ে এবং ইরান সেই মিসাইল প্রতিহত করতে না পারে, তাহলে মানচিত্র থেকে ইরানের বেশ কিছু অংশ মুছে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন সামরিক বিশেষজ্ঞরা।
সূত্রের খবর, জেরিচো-২ ও জেরিচো-৩ মিসাইল প্রস্তুত করছে ইসরাইল। এগুলো সব আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালেস্টিক মিসাইল, যেগুলোর গতিবেগ বিশ্বের অন্যান্য শক্তিধর মিসাইলগুলো তুলনায় অনেক বেশি।
ইসরাইলের প্রথম আঘাতেই ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ইরান। যদি ইরান ইসরাইলের অত্যাধুনিক মিসাইলকে আকাশেই আটকাতে না পারে, তাহলে বড়সড় বিপর্যয় নেমে আসবে ইরানের উপরে। এমনকি, মানচিত্র থেকেও মুছে যেতে পারে ইরানের একাংশ। কারণ এরিমধ্যে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ইরানকে তছনছ করার হুমকি দিলেন ট্রাম্প, যদি…