যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে বন্যায় নিহতের সংখ্যা ১১০ ছাড়িয়ে গেছে। নিখোঁজের সংখ্যাও ছাড়িয়েছে ১৬০ জনের বেশি। এছাড়া নিউ মেক্সিকো অঙ্গরাজ্যেও বন্যা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় উদ্ধার কাজও কঠিন হয়ে পড়েছে। এতে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে ।
আকস্মিক বন্যায় ভয়াবহ পরিস্থিতিতে বিপর্যস্ত যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বৃহৎ রাজ্য টেক্সাসে। সেখানে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। আবহাওয়া অনুকূলে না থাকায় এবং পাঁচ দিন পেরিয়ে যাওয়ায় জীবিত কাউকে উদ্ধারের আশাও ফুরিয়ে আসছে। তবুও নিখোঁজদের খোঁজ করছেন স্বজনরা।

তাদেরই একজন বলেন, গুয়াদালুপের পানি হঠাৎ করেই এমনভাবে বেড়ে গেলো আর সবকিছু ভেসে গেলো। আমার ভাতিজা, তার স্ত্রী এবং তাদের দুই ছেলেকে কোথাও খুঁজে পাচ্ছি না। এখন আশায় আছি হয়তো তাদের খোঁজ মিলবে।
তিনি আরও বলেন, পাঁচদিন হয়ে গেলো, আমার মা আর বাবাকে এখনো পাইনি। হুট করেই এতো পানি চলে এসেছে ঘরের ভিতর, তখন আর কিছুই করার ছিলো না। আমাদের আত্মীয়স্বজন, আমার বন্ধু বান্ধব সবাই বাবা মার সন্ধান করছি। জানিনা কী পরিস্থিতি সামনে অপেক্ষা করছে।

এদিন টেক্সাসের কের কাউন্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন রাজ্যটির গভর্নর। জানান টেক্সাস জুড়ে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় কাজ করছে ২০টিরও বেশি রাজ্য সংস্থা। নিখোঁজ প্রত্যেক মানুষকে খুঁজে না পাওয়া পর্যন্ত উদ্ধার কার্যক্রম চলবে বলেও জানান তিনি।
ঝড়-বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় উদ্ধার তৎপরতা ব্যাহত হচ্ছে। উদ্ধার কাজে বেগ পেতে হচ্ছে উদ্ধারকর্মীদের। এর মধ্যেই ওই অঞ্চলে আরো বৃষ্টি ও বজ্রঝড়ের পূর্বাভাসও দেয়া হয়েছে। এছাড়া নিউ মেক্সিকোতেও বন্যা পরিস্থিতি ধীরে ধীরে ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। পানির তোড়ে ভেসে যাচ্ছে বাড়িঘর, গাছপালা।
আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, প্রাণহানিতে তারা ‘মর্মাহত’। সংস্থাটি বৃহস্পতিবার একাধিক ব্রিফিং করেছে এবং ওইদিন বিকালে বন্যা সতর্কতা জারি করেছিল বলে জানিয়েছে। তবে প্রশ্ন রয়ে গেছে, সেসব সতর্কতা কতজন মানুষের কাছে পৌঁছেছিল? যদিও আবহাওয়াবিদরা দাবি করছেন, জটিল আবহাওয়া পরিস্থিতিতে কোন এলাকায় কী ঘটতে পারে তা নির্ভুলভাবে বলা কঠিন এবং লোকজনকে আগেভাগে সতর্ক করে প্রস্তুত করা আরও চ্যালেঞ্জিং ব্যাপার।
গুজরাটে সেতুর পাটাতন ধসে যানবাহন পানিতে, নিহত ১০ 