কম্বোডিয়া এবং থাইল্যান্ড উভয়ই বলেছে যে, রোববার ভোরে বিবাদিত সীমান্ত এলাকায় একে অপরের বিরুদ্ধে আর্টিলারি হামলা চালিয়েছে। এই হামলার ঘটনা এমন সময়ে ঘটলো যখন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন উভয় দেশের নেতারা যুদ্ধবিরতির জন্য কাজ করতে সম্মত হয়েছেন।
রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতির আহ্বান সত্ত্বেও থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার সীমান্তে গোলাগুলি অব্যাহত আছে।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে গত এক দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে সবচেয়ে তীব্র সংঘাত শুরু হওয়ার চার দিন পর মৃতের সংখ্যা ৩০ ছাড়িয়েছে, যাদের অধিকাংশই সাধারণ নাগরিক।
এছাড়া উভয় দেশের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে এক লাখ ৩০ হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
কম্বোডিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, থাইল্যান্ড রোববার (২৭ জুলাই) সকালে ফনম কমোচসহ বিভিন্ন স্থানে গোলাবর্ষণ ও স্থল হামলা চালিয়েছে, যা থাইল্যান্ডের ত্রাত প্রদেশের উপকূলীয় সীমান্তের কাছে অবস্থিত।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানিয়েছেন, মন্দির কমপ্লেক্সগুলোতে ভারী আর্টিলারি দিয়ে আঘাত হানা হয়েছে।
অন্যদিকে থাই সেনাবাহিনী সূত্রে জানা গেছে, কম্বোডিয়া রোববার ভোরে বেসামরিক বাসস্থানের কাছাকাছি এলাকাসহ বিভিন্নস্থানে গুলিবর্ষণ করেছে।
সুরিন প্রদেশের গভর্নর রয়টার্সকে জানিয়েছেন, এই প্রদেশে আর্টিলারি শেল নিক্ষেপের ফলে একটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং কিছু গবাদি পশু নিহত হয়েছে।
থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া যুদ্ধবিরতির আলোচনায় সম্মত: ট্রাম্প