৩১ অগাস্ট আফগানিস্তান ছেড়ে চলে গেছে শেষ মার্কিন সেনাবহর। এ ঘটনাকে তালেবানদের বিজয় হিসেবে দেখছে আল কায়েদা। তালেবানদের সাধুবাদ জানিয়ে এবার কাশ্মিরকে মুক্ত করার ডাক দিয়েছে এ জঙ্গিগোষ্ঠীটি। একইসঙ্গে বিশ্বের সমস্ত মুসলিম ভূমিকে শত্রুমুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছে আল কায়েদা।
বুধবার (১ সেপ্টম্বর) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টিভি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, আল কায়দা যেভাবে কাশ্মিরকে ‘মুক্ত’ করার ডাক দিয়েছে তাতে চিন্তা বেড়েছে মোদি সরকারের।
আফগানিস্তানে তালেবানদের ক্ষমতা দখলকে স্বাগত জানিয়ে এবং মুসলিম ভূমিকে মুক্তি করার ডাক দিয়ে আল কায়েদা একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সোমালিয়া, ইয়েমেন, কাশ্মিরসহ বাকি মুসলিম ভূমিকে শত্রুর হাত থেকে আমাদের রক্ষা করতে হবে।
বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের পরাজয়ের বিষয়টি উল্লেখ করে আরও জানানো হয়, সাম্রাজ্যবাদী শক্তির পরাজয়ের মধ্যদিয়ে আফগানিস্তান ফের মুক্তির স্বাদ পেয়েছে। আর এটা প্রমাণ করছে যে জয়ের একমাত্র রাস্তা জিহাদ।
এদিকে মঙ্গলবার (৩১ আগস্ট) দোহায় তালেবান প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠক করেছেন কাতারে নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত। এটিই তালেবানের সঙ্গে ভারতের প্রথম কোনো আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক বৈঠক।
বিষয়টি নিশ্চিত করে দিল্লি জানিয়েছে, কাতারের ভারতীয় দূতাবাসে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন ভারতের রাষ্ট্রদূত দীপক মিত্তাল ও তালেবানের রাজনৈতিক কার্যালয়ের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ শের মোহাম্মদ আব্বাস স্টানেকজাই।
সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, কাতারের ভারতীয় দূতাবাসের বৈঠকে আফগানিস্তানের মাটি ভারতবিরোধী কর্মকাণ্ড ও সন্ত্রাসবাদের জন্য ব্যবহৃত হতে পারে বলে দিল্লির পক্ষ থেকে শঙ্কা প্রকাশ করেলে, দিল্লির এই শঙ্কাকে ইতিবাচকভাবে সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন তালেবানের রাজনৈতিক কার্যালয়ের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ শের মোহাম্মদ আব্বাস স্টানেকজাই।
আরও পড়ুন: দেড় বছর পর খুললো দিল্লির স্কুলগুলো
এরইমধ্যে জম্মু-কাশ্মিরে ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ডাক দিয়ে তালিবানের সহযোগিতা চেয়েছে লস্কর-ই-তৈয়বা। এবার কাশ্মির নিয়ে আল কায়েদার এমন ঘোষণার পর উদ্বেগ বেড়েছে নয়াদিল্লির।
একাত্তর/আরবিএস
