দোষারোপের রাজনীতি দিয়ে শুরু হলো ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের দুই প্রধান জোটের নির্বাচনী প্রচারণা। পাল্টাপাল্টি অভিযোগের মধ্য দিয়েই ভোটের মাঠে নেমেছে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এমন প্রচারণা নির্বাচনকে সংঘাতময় করে তুলতে পারে এবং এর প্রভাব তৃণমূল কর্মীদের ওপর পড়তে পারে। ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগও সুবিধা নিতে পারে।
কয়েক দিন আগে এক অনুষ্ঠানে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছিলেন, ‘দোষারোপের রাজনীতি আর নয়’। অন্যদিকে, জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানও জানিয়েছিলেন তিনি সমালোচনা করতে চান না।
কিন্তু মাঠের প্রচারণায় এই দুই জোটের শীর্ষ নেতাদের বক্তব্যে ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে। শুরু থেকেই তারা একে অপরের প্রতি অভিযোগের আঙুল তুলছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক আসিফ শাহান দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের রাজনীতি পর্যবেক্ষণ করছেন। তিনি বলেছেন, এমন প্রচারণা নির্বাচনকে সংঘাতময় করে তুলতে পারে।
দীর্ঘদিন একসঙ্গে জোটবদ্ধ রাজনীতি এবং সরকার গঠন করা এই দুই দলের মধ্যে হঠাৎ এই ‘কথার যুদ্ধ’ কি বাস্তব নাকি কৌশলগত—তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
এই বিশ্লেষক মনে করেন, দল দুটির শীর্ষ নেতাদের এই দোষারোপের রাজনীতির প্রভাব তৃণমূলে পড়ছে। এটি যদি চলমান থাকে, তবে দীর্ঘমেয়াদে এর সুবিধা পতিত আওয়ামী লীগ নিতে পারে।
এআই দিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, বিকাশ নম্বর প্রসঙ্গে জামায়াত আমির
এনআইডি ও বিকাশ নম্বর যারা নিচ্ছে তারাও ‘ভোট ডাকাত’: তারেক রহমান