ইরানে চলমান আগ্রাসনে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক সামরিক উপস্থিতির তথ্য প্রকাশ করেছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। সংস্থাটি জানিয়েছে, এ অভিযানে অংশ নিয়েছে প্রায় ২০০ যুদ্ধবিমান, দুটি বিমানবাহী রণতরী, একাধিক কৌশলগত বোমারু বিমান এবং ৫০ হাজারেরও বেশি মার্কিন সেনা।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার মঙ্গলবার এক ভিডিও বার্তায় এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, চারদিন ধরে চলা এই অভিযান মধ্যপ্রাচ্যে এক প্রজন্মের মধ্যে সবচেয়ে বড় মার্কিন সামরিক সমাবেশ।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, অভিযান শুরুর পর থেকে মার্কিন ও ইসরাইলি বাহিনী ইরানজুড়ে প্রায় ২০০০ লক্ষ্যবস্তুতে দুই হাজারেরও বেশি যুদ্ধাস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালিয়েছে।
অন্যদিকে কুপার দাবি করেন, ইরান পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ৫০০-র বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং দুই হাজারেরও বেশি ড্রোন নিক্ষেপ করেছে।
তিনি আরও বলেন, ইরানি নৌবাহিনীর সক্ষমতা ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে এবং এখন পর্যন্ত ১৭টি ইরানি জাহাজ ডুবিয়ে দেওয়া হয়েছে।
অভিযান অব্যাহত থাকায় মার্কিন বাহিনী ও তাদের মিত্রদের ওপর হামলা চালানোর ইরানের সক্ষমতা কমে আসছে বলেও দাবি করেন সেন্টকম প্রধান।
এর আগে শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ব্যাপক হামলার পর থেকে অঞ্চলজুড়ে উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করে। এতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে এবং মোট নিহতের সংখ্যা প্রায় ৮০০ জনে পৌঁছেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
জবাবে ইরান ইসরাইলের পাশাপাশি উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক সম্পদকে লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়।
সেন্টকম জানিয়েছে, কুয়েতে একটি কৌশলগত অপারেশন সেন্টারে হামলায় ছয়জন মার্কিন সেনা নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
আজও ২৫টি ফ্লাইট বাতিল, পাঁচ দিনে ১৭৩
খামেনিকে শেষ বিদায় জানাচ্ছে শোকাতুর তেহরান
আইআরজিসি কেন মোজতবার ওপরই বাজি ধরল?