রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনার তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। শনিবার (২৩ মে) মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফরেনসিক ইউনিট থেকে ডিএনএ, ময়নাতদন্ত ও ভিসেরা রিপোর্ট হাতে পেয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে রোববার (২৪ মে) আদালতে এই চাঞ্চল্যকর মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করা হতে পারে।
সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান সাংবাদিকদের জানান, রামিসা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ডিএনএ, ময়নাতদন্ত ও ভিসেরা রিপোর্ট মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান ভুঁইয়ার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সিআইডির পক্ষ থেকে সব ফরেনসিক রিপোর্ট তার হাতে তুলে দেওয়া হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গুরুত্বপূর্ণ এসব ফরেনসিক রিপোর্ট পাওয়ায় এখন দ্রুত অভিযোগপত্র প্রস্তুতের কাজ চলছে।
গত ১৯ মে সকালে মিরপুরের পল্লবীর একটি ফ্ল্যাটের খাটের নিচ থেকে সাত বছরের শিশু রামিসার মস্তকবিহীন দেহ এবং পরে বাথরুম থেকে খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। এই নৃশংস ঘটনায় পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার পর প্রথমে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করে পুলিশ। পরবর্তীতে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ইতিমধ্যে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে ঘাতক সোহেল রানা।
