দীর্ঘ সংঘাতের পর যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের যুদ্ধবিরতি ও শান্তিচুক্তির ঘোষণায় স্বস্তির বার্তা ছড়িয়েছে বিশ্বজুড়ে। মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমানো, হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে স্থিতিশীলতা ফেরানোর সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় এই সমঝোতাকে বড় কূটনৈতিক অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন বিশ্বনেতারা। আর চুক্তির পেছনে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য প্রশংসা পাচ্ছে
চার মাসের বেশি সময় ধরে চলা সংঘাতের পর, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ও শান্তি চুক্তির ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছেন বিশ্বনেতারা। জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। একই সঙ্গে পাকিস্তান, কাতার, সৌদি আরব ও তুরস্কের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার প্রশংসা করেছে জাতিসংঘ।
এই চুক্তিকে আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি ও ইতালিও এই সমঝোতাকে স্বাগত জানিয়েছে। তারা বলছে, সফল বাস্তবায়ন মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
কাতার, জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডও কূটনৈতিক উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। তাদের মতে, আলোচনার মাধ্যমেই দীর্ঘদিনের উত্তেজনার টেকসই সমাধান সম্ভব।বিশ্লেষকদের মতে, শুধু যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পর্কেই নয়, পুরো মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক সমীকরণেও বড় পরিবর্তন আনতে পারে এই চুক্তি। তবে স্থায়ী শান্তির জন্য চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়নই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
