দালাল চক্রের দৌরাত্ম বন্ধে রাজধানীর তিনটি বড়ো সরকারি হাসপাতালে একযোগে অভিযান চালিয়েছে র্যাব-২। এসময় হাসপাতাল তিনটি থেকে ১১ জনকে আটক ও পরে সাজা দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৯ জুন) সকালে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে (পঙ্গু হাসপাতাল) এই অভিযান চালানো হয়।
আটক ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে সরকারি হাসপাতালে আসা সহজ-সরল রোগীদের বিভ্রান্ত করে বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল বা ক্লিনিকে ভাগিয়ে নিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিলেন বলে জানিয়েছে র্যাব।
অভিযান শেষে র্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী তামজীদ আহমেদ আটকদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন।
র্যাব-২-এর উপ-অধিনায়ক নিফাজ রহমান বলেন, চক্রটি সুকৌশলে গ্রাম থেকে আসা রোগীদের সরকারি হাসপাতালের সেবা থেকে বঞ্চিত করে ভুঁইফোড় বিভিন্ন ক্লিনিকে পাঠিয়ে দিতো। এতে রোগীরা একদিকে যেমন আর্থিক ক্ষতির শিকার হচ্ছেন, অন্যদিকে ভুল চিকিৎসার ঝুঁকিতে পড়ছেন।
র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী তামজীদ আহমেদ আরও জানান, রোগীদের জিম্মি করে যেসব বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার এই অনৈতিক বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধেও পর্যায়ক্রমে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
হাসপাতালগুলোতে দালালদের দৌরাত্ম্য কমাতে র্যাবের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।
