২৫ জুন পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে ব্রিটেন থেকে শত শত প্রবাসী আসছেন বাংলাদেশে।
অন্যদিকে ব্রিটিশ উদ্যোক্তারা বলছেন, পদ্মা সেতু ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের নতুন বাণিজ্য সম্ভাবনা তৈরি করবে। পদ্মা সেতু বিশ্বে বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগের জন্য আস্থা তৈরি করেছে।
১৯৬৩ সাল থেকে লন্ডনে বসবাস করছেন সুলতান মাহমুদ শরিফ। ৬৮ সালে বিয়ে করার পর সর্বনাশা পদ্মার কারণে বিলেতি বউকে শশুরবাড়ী নিয়ে যেতে পারেননি বর্ষীয়ান এই মুক্তিযোদ্ধা।
পিতার মৃত্যুর পর অংশ নিতে পারেননি জানাজায়। ৬০ বছরের অপক্ষো শেষ হচ্ছে সুলতানের। পদ্মা এখন আর সর্বনাশা নয়।
পদ্মার বুকে মাথা উচূ করে দাঁড়ানো সেতুটি হয়ে উঠেছে বাংলাদেশের আশা আকঙ্খার প্রতীক, সেতু দেখতে বাংলাদেশে যাচ্ছেন ৮২ বছর বয়সী এই বর্ষীয়ান প্রবাসী।
পদ্মা সেতু শুধু দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের স্বপ্নই পুরন করছে না, আর্ন্তজাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের জন্য নতুন বাজারও সৃষ্টি করবে বলে মনে করছেন ব্রিটেনের ব্যবসায়িরা।
বিনিয়োগকারীরা বলছেন, পদ্মা সেতুর মতো অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও রাজনৈতিক স্থিতিশিলতা বিদেশী বিনিয়োগ ও বাংলাদেশের ইমেজ বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে।
একাত্তর/এসএ
