পূর্ব লন্ডনের হোয়াইটচ্যাপেল এলাকায় পাতাল রেল স্টেশনের সামনে বাংলা গান গেয়ে পর্যটক ও পথচারীদের নজর কেড়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সৌখিন সঙ্গীত শিল্পী জহুরুল ইসলাম রাসেল।
ঐতিহ্যগতভাবে লন্ডনের পাতাল রেল স্টেশনে ইংরেজি ভাষায় বাস্কিং জনপ্রিয় হলেও বাংলা গানের শিল্পীর সংখ্যা শূন্যের কোঠায়।
ভাষার মাসে বাংলা গানকে আন্তর্জাতিক কমিউনিটির কাছে ছড়িয়ে দিতেই এই প্রচেষ্টা বলে জানান তিনি।
কসমোপলিটন শহর লন্ডনের পাতাল রেল স্টেশন কিংবা সেন্ট্রাল লন্ডনের শপিং মলের সামনে এমন পথ সঙ্গীত শিল্পীদের দেখা মেলে প্রতিদিন, এসব পথ শিল্পীরা বাস্কার নামেই সমাদৃত। কিন্তু লন্ডনের পথে বাংলা গান যেন অনেকটাই অস্বাভাবিক, পূর্ব লন্ডনের হোয়াইটচ্যাপেল পাতাল রেল স্টেশনের সামনে তাই এই সঙ্গীত শিল্পীকে ঘিরে মানুষের আগ্রহ।
গত ১৭ই ডিসেম্বর এক ফেসবুক লাইভের সূত্র ধরে প্রতিবেদক যোগাযোগ করেন বাংলাদেশি ওই পথ শিল্পীর সাথে।

জহরুল ইসলাম রাসেল জানান, কোন পারিশ্রমিক ছাড়াই মূলত শখের বসেই হোয়াইট চ্যাপেল এলাকায় পথ সঙ্গীত শুরু করেন।
সরেজমিনে আমরা লন্ডনের রাস্তায় বাংলা গান শুনে অবাঙালিরা আদৌ পাউন্ড খরচ করবেন কিনা বিষয়টি পরীক্ষা করতে কিছু কয়েন ফেলতে শুরু করি, এরপর কিছুক্ষণের মধ্যেই রাসেলের গিটার বক্সে জমতে শুরু করে কয়েন।
লন্ডনের পাতাল রেল স্টেশনগুলোতে গান গাইতে হলে ট্রাভেল ফর লন্ডনের অডিশনে উত্তীর্ণ হয়ে তালিকাভুক্ত হতে হয়। তবে স্থানীয় কাউন্সিলের অনুমতি নিয়ে শপিং মল বা ব্যস্ত সড়কের গান করেন পেশাদার সঙ্গীত শিল্পীরা। রোজগারও বেশ ভালো এতে, পেশাদার বাস্কারদের আয় প্রতি ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৭৫ পাউন্ড।
আরও পড়ুন: কানাডায় সড়ক দুর্ঘটনায় তিন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নিহত
টিএফএলএ’র অধীনে লন্ডনে পেশাদার বাস্কারের সংখ্যা প্রায় আড়াই শতাধিক হলেও বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কোন পেশাদার শিল্পী প্রাতিষ্ঠানিকভাবে বাস্কার হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছেন এমন নজির নেই।
একাত্তর/আরএ
