ডিম ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বসছে ভোক্তা অধিকার

আপডেট : ১৩ আগস্ট ২০২৩, ০৯:৪৮ পিএম

সাম্প্রতিক সময়ে বাজারে ডিমের দামের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি নিয়ে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, এজেন্ট, ডিলার ও ডিম ব্যবসায়ী সমিতির সদস্যদের সাথে মতবিনিময় করবে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

রোববার অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সোমবার বেলা ১১টায় অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ের সভাকক্ষে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় সভাপতিত্ব করবেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ. এইচ. এম. সফিকুজ্জামান।

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় ডিমের দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। রোববার রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা দরে। অর্থাৎ খুচরায় একটি ডিমের দাম পড়ছে সর্বোচ্চ ১৫ টাকা। 

এদিকে, পাইকারিতে বাদামি ডিমের শ’ বিক্রি হচ্ছে ১২৭০ টাকায়। অথচ গত মাস পর্যন্তও খুচরা বাজারে প্রতি ডজন ডিমের দাম ছিল ১৪০-১৪৫ টাকা। 

ডিম ব্যবসায়ী ও উৎপাদকরা বলছেন, সরবরাহে বিঘ্ন, উৎপাদন কম হওয়া এবং উৎপাদন খরচ বেশি হওয়ায় ডিমের দাম বেড়েছে।

এই অবস্থায় ডিমের দামের লাগাম টেনে ধরতে সংশ্লিষ্টদের সাথে আলোচনা করতে চায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। ডিমের দাম কমিয়ে আনতে দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযানও চালিয়ে আসছে সংস্থাটি।

বর্ষায় খামারের ক্ষতি হয় বলে প্রতি বছর এই সময় ডিমের দাম কিছুটা বাড়ে। গত বছরের এই সময়ে প্রতি ডজন ডিমের দাম উঠেছিল ১৫৫ টাকা। তবে বর্ষা শেষে তা আবার কমে গিয়েছিলো। 

সেবারও ডিমের আড়তদার, খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ী, উৎপাদনকারী ফার্ম ও কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান, এজেন্ট, ডিলার ও ব্যবসায়ী সমিতির সঙ্গে মতবিনিময় সভা ডেকেছিলো জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

অন্যদিকে, রোববার সকালে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, ডিমের দাম না কমলে প্রয়োজনে আমদানির সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। ডিমের দাম কত হওয়া উচিত তা প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নির্ধারণ করতে হবে বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন: সারা দেশেই ডিমের বাড়তি দাম, চলছে অভিযান

তবে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম মনে করছেন, বাজারবিন্যাস করতে পারলে ডিম আমদানির প্রয়োজন পড়বে না।

আর ডিমের দাম নির্ধারণ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, এটা দাম নির্ধারণ করার বিষয় না। এর আগে ২০১০ সালে ছোটো বাচ্চা মুরগি ও অন্যান্য বিষয়ের দাম নির্ধারণের কথা উঠেছিল। সেক্ষেত্রে আদালত প্রশ্ন তুলেছিলেন, মন্ত্রণালয় এভাবে দাম নির্ধারণ করে দিতে পারে না।


একাত্তর/এসজে

খুচরা বাজারে প্রতিটি ডিমের দাম ছুঁয়েছে ১৫ টাকা। অর্থাৎ এক হালি ডিম কিনতে গুনতে হচ্ছে ষাট টাকা।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ডিম আমদানির উদ্যোগ নিলেও কেন দেরি হলো সে কারণ জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।
দাম বেঁধে দেয়ার ছয় দিনেও নিয়ন্ত্রণে আসেনি ডিম, আলু ও পেঁয়াজের দাম। প্রতিদিনই চলছে ভোক্তা অধিকারের অভিযান। কিছু ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হলেও বাজারে প্রভাব পড়ছে না।
দেশে প্রথমবারের মতো ডিম আমদানির অনুমোদন দেয়ার পর সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নির্ধারিত দামে বিক্রি না হলে আমদানি আরও বাড়ানো হবে।
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেছেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মূল স্তম্ভ গণমাধ্যম। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় গণমাধ্যমের সব থেকে বেশি ইতিবাচক ভূমিকা রাখার সুযোগ আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মিডিয়া যদি...
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা শেষে সরকার ও দলের ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ণ রাখতেই পদ থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি চেয়েছেন বলে জানিয়েছেন সদ্য সাবেক মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য...
নিজ নির্বাচনী এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে প্রকাশ্যে ব্যক্তিগত আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন ও মহড়া দেওয়াকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট দেশব্যাপী তোলপাড় ও সমালোচনার মুখে অবশেষে পদত্যাগ করেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক...
সৌদি আরবে সম্প্রতি দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রক্রিয়ায় কূটনৈতিক তথ্য আদান-প্রদানে মারাত্মক ঘাটতি থাকার কথা জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ঘটনাটিকে অত্যন্ত দুঃখজনক ও হতাশাজনক...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর