১৭ কোটি মানুষের মধ্যে মাত্র এক কোটি ৭১ লাখ মানুষ এসেছে বীমার আওতায়। যদিও দেশে লাইফ ও ননলাইফ বীমা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা মোট ৮২টি। গেল দু’বছরে গ্রাহকের বীমা দাবি পরিশোধ করার হার ৪ শতাংশ বাড়ায় ফিরেছে আস্থা। তবে সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, বীমা দাবি পরিশোধে ব্যর্থ দশ বারোটি প্রতিষ্ঠানের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পুরো বীমাখাত। আশার কথা, জাতীয় বীমা দিবসে ব্যাংক ইসুরেন্স চালু হওয়ায় অর্থনীতিতে অবদান বাড়বে এই খাতের।
দুর্ঘটনাসহ মানুষের জীবনের ঝুঁকি গ্রহণ করে বীমা ব্যবসা পরিচালনা করে জীবন বীমা কোম্পানি। বর্তমানে দেশে জীবন বীমা বা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির সংখ্যা ৩৬টি।
ব্যাংক ঋণ, কারখানা ও ভবন, যানবাহন, অগ্নি দুর্ঘটনাসহ পণ্য আমদানি-রপ্তানির বীমা করে নন লাইফ বা সাধারণ বীমা কোম্পানিগুলো। বর্তমানে নন লাইফ বিমা কোম্পানির সংখ্যা ৪৬টি। সরকারি দু'টিসহ মোট ৮২টি বীমা কোম্পানির নিয়ন্ত্রক সংস্থা বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ।
জাতীয় বীমা দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য; করবো বীমা গড়বো দেশ, স্মার্ট হবে বাংলাদেশ, বাস্তবায়নে কতটা এগুতে পারলো বীমাখাত?
বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) সদস্য নজরুল ইসলাম বলেন, নিয়মের মধ্যে আনার জন্য আমরা ১০টি বিধি, ২০টি প্রবিধি এবং তিনটি গাইডলাইন প্রণয়ন করেছি। ২০২২ সালের তুলনায় ২০২৩ সালে বীমা দাবি পরিশোধের ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে বীমা পরিশোধ বাড়ছে।
পরিচালকদের দুর্নীতি ও অনিয়মের কারণে ১০ থেকে ১২ টি জীবন বীমা কোম্পানির গ্রাহকরা মেয়াদ শেষেও বিমা দাবির টাকা পাচ্ছে না। যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে পুরো বীমাখাতে।

পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা বি এম ইউসুফ আলী বলেন, এখন বীমা দাবি প্রতিশোধ বেশি হচ্ছে। মানুষের আস্থাও দিন দিন বাড়ছে। কয়েকটি কোম্পানি মানুষের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।
মেঘনা লাইফ ইন্সুরেন্সের চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন আহমেদ বলেন, বোর্ডকে এবং এমডির নেতৃত্বে কর্মচারীদের সজাগ থাকতে হবে।
দেরিতে হলেও ব্যাংকগুলো এজেন্ট হিসাবে সব ধরনের বীমার পলিসি বিক্রি বা ব্যাংক ইন্স্যুরেন্স চালু করেছে। বীমার সাথে ব্যাংক যুক্ত হওয়ায় নতুন আশা দেখছেন এই খাত সংশ্লিষ্টরা।
বিনিয়োগ ও রিজার্ভ বাড়াতে বিস্তৃত হচ্ছে অফশোর ব্যাংকিং সেবা