৩৬ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা এবং বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমানের তথ্য চেয়ে আট ব্যাংকে চিঠি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
ওইসব ব্যাংক থেকে নামে-বেনামে আইনকানুন না মেনে ৩৬ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে সালমানের বিরুদ্ধে। ওইসব ঋণের অধিকাংশই খেলাপির ঝুঁকিতে রয়েছে।
এর আগে রপ্তানি বাণিজ্যের আড়ালে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে সালমান এফ রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের অর্থপাচারের প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে পুলিশ জানায়।
এরি মধ্যে আর ৮৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ১০০০ কোটি টাকা) পাচারের অভিযোগে সালমান এফ রহমানসহ ২৮ জনের নামে ১৭টি মামলা করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। এছাড়াও ৩৩ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ তদন্ত চলছে।
পুলিশ বলছে, অর্থ পাচারে সালমানের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন তার ভাই সোহেল রহমান। এছাড়া সালমানের ছেলে সায়ান এফ রহমান এবং সোহেলের ছেলে শাহরিয়ার রহমানও বিদেশে অর্থপাচার চক্রের অন্যতম হোতা।
গত পাঁচ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর ঢাকা সদরঘাট থেকে গ্রেপ্তার করা হয় সালমান এফ রহমানকে।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা ছিলেন সালমান। তখন তিনি দেশের আর্থিক খাতের একচ্ছত্র অধিপতি হয়ে উঠেছিলেন।
রপ্তানির আড়ালে যেভাবে টাকা পাচার করে সালমানের পরিবার 