আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বিশ্বব্যাংকের মতো প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সহায়তার ওপর বাংলাদেশ আর নির্ভর করেনা বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ডক্টর সালেহউদ্দিন আহমেদ।
মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) বিকেলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
এসময় জুনের মধ্যে আইএমএফের চতুর্থ ও পঞ্চম কিস্তির অর্থ ছাড়ের সম্ভাবনা অনিশ্চিত বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।
তবে আইএমএফের বার্ষিক সাধারণ সভা উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্র সফরে বাজেট সহায়তা, শুল্কহার কমানোসহ বেশ কিছু বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে বলেও জানান অর্থ উপদেষ্টা।
হঠাৎ করেই বাংলাদেশি পণ্যের ওপর আরোপ করা ৩৭ শতাংশ শুল্কহার কমানোর বিষয়েও ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি।
অর্থ উপদেষ্টা বলেন, আইএমএফ চায় বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় হার বাজারের ওপর ছেড়ে দেওয়া হোক। তবে দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে পুরোপুরি ছেড়ে দেওয়া সম্ভব নয়। আইএমএফের সব শর্ত মানবো না। আমরা আমাদের মত সিদ্ধান্ত নিবো। এতে আইএমএফ কিস্তি দিলে দিবে, না দিলে নিজেদের মত করেই বাজেট করবো।
এ সময় তার কাছে প্রশ্ন ছিল এজন্য আইএমএফ বা বিশ্ব ব্যাংকের মতো প্রতিষ্ঠান কোন শর্ত দিয়েছে কিনা?
উপদেষ্টা বলেন, আইএমএফের দুই একটা ইস্যু আছে যেটা মেজর না। কিছু শর্ত আছে যেগুলোর সবগুলো আমরা পরিপালন করতে চাই না। আমরা সে সব বিষয় নিয়ে তাদের সঙ্গে আর্গুমেন্ট করেছি। তারা বলেছে, এ করো সেই করো, আমরা সে পথে হাঁটবো না। বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনীতি অনেক ভালো। ডিসেম্বর থেকে এখন অনেক ভালো। দ্রুত রিফর্ম করেছে যেটা ভালো হয়েছে। আইএমএফ এর অনেক শর্ত থাকে। তাই আমরা চিন্তাভাবনা করছি নিজেদের মতো করে বাজেট দিতে চেষ্টা করবো।
তিনি বলেন, তাদের শর্তের মধ্যে আমরা বলেছি এনবিআর সেপারেশন করবো। ফরেন এক্সচেঞ্জ মার্কেটটাকে বলেছে সহজ করতে। আমরা বলেছি একেবারে ওপেন করবো না। আমাদের স্টেবিলাইজেশন ফান্ডে তারা এক বিলিয়ন ডলার দেওয়ার জন্য বলেছি। ওরা বলেছে ৫০০ মিলিয়ন ডলার দেবে। তবুও আমরা বলেছি চিন্তাভাবনা করে আমরা সিদ্ধান্ত দেবো। সব মিলিয়ে কিন্তু দুঃখ করার কোনো কারণ নেই।
অর্থের সংস্থানের জন্য তিনটা চুক্তিতে সই হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ওপেকফান্ডের সঙ্গে ১০০ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি হয়েছে। তারা বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ করবে। আর আইএফসি’র সঙ্গে কথা হয়েছে তারাও ৫০০ মিলিয়ন ডলার বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ করবে।
এ সময় তার কাছে প্রশ্ন ছিল এজন্য আইএমএফ বা বিশ্ব ব্যাংকের মতো প্রতিষ্ঠান কোন শর্ত দিয়েছে কিনা?
উপদেষ্টা বলেন, আইএমএফের দুই একটা ইস্যু আছে যেটা মেজর না। কিছু শর্ত আছে যেগুলোর সবগুলো আমরা পরিপালন করতে চাই না। আমরা সে সব বিষয় নিয়ে তাদের সঙ্গে আর্গুমেন্ট করেছি। তারা বলেছে, এ করো সেই করো, আমরা সে পথে হাঁটবো না। বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনীতি অনেক ভালো। ডিসেম্বর থেকে এখন অনেক ভালো। দ্রুত রিফর্ম করেছে যেটা ভালো হয়েছে। আইএমএফ এর অনেক শর্ত থাকে। তাই আমরা চিন্তাভাবনা করছি নিজেদের মতো করে বাজেট দিতে চেষ্টা করবো।
তিনি বলেন, তাদের শর্তের মধ্যে আমরা বলেছি এনবিআর সেপারেশন করবো। ফরেন এক্সচেঞ্জ মার্কেটটাকে বলেছে সহজ করতে। আমরা বলেছি একেবারে ওপেন করবো না। আমাদের স্টেবিলাইজেশন ফান্ডে তারা এক বিলিয়ন ডলার দেওয়ার জন্য বলেছি। ওরা বলেছে ৫০০ মিলিয়ন ডলার দেবে। তবুও আমরা বলেছি চিন্তাভাবনা করে আমরা সিদ্ধান্ত দেবো। সব মিলিয়ে কিন্তু দুঃখ করার কোনো কারণ নেই।
অর্থের সংস্থানের জন্য তিনটা চুক্তিতে সই হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ওপেকফান্ডের সঙ্গে ১০০ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি হয়েছে। তারা বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ করবে। আর আইএফসি’র সঙ্গে কথা হয়েছে তারাও ৫০০ মিলিয়ন ডলার বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ করবে।
