অটোমেশনের জন্য এবার বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতায় এক হাজার কোটি টাকার প্রকল্প নিচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড- এনবিআর। পাঁচ বছর মেয়াদি এ প্রকল্পের উদ্দেশ্য কর অফিসে করদাতাদের স্বশারীরে যোগাযোগ বন্ধ করা। তবে, প্রকল্প বাস্তবায়নে অতীত ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশ্লেষকেরা।
প্রযুক্তির আধুনিকায়নে গত দুই দশকে বিভিন্ন প্রকল্পে প্রায় হাজার কোটি টাকা খরচ করেছে এনবিআর। সেসব প্রকল্পের কোনো কোনোটি পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। আবার কোনোটির পুরো সুফল মেলেনি। এতে একদিকে যেমন করদাতার হয়রানি বন্ধ হয়নি। অন্যদিকে ঠেকানো যাচ্ছে না কর ফাঁকিও।
এমন প্রেক্ষিতে আসছে আরেকটি প্রকল্প। স্ট্রেনদেনিং ডামেস্টিক রিসোর্স মবিলাইজেশন নামে এই উদ্যোগের সিংহভাগ ব্যয় ঋণ হিসেবে দেবে বিশ্বব্যাংক। কর্মকর্তারা জানান, ভ্যাট, কাস্টমস ও আয়কর এই তিন বিভাগের মধ্যে সংযোগ স্থাপন এ প্রকল্পের প্রধান উদ্দেশ্য। করদাতা যেন প্রয়োজনীয় সেবা ঘরে বসেই পান, তাও নিশ্চিত করা হবে। এছাড়া এনবিআরের সক্ষমতা ও দক্ষতা বাড়ানোও অন্যতম উদ্দেশ্য।
বিদেশি সংস্থার ঋণ নিলে আসে বিদেশি ঠিকাদারের প্রশ্ন। এনবিআরের ক্ষেত্রে প্রকল্প বাস্তবায়নে বিদেশি কোম্পানির অভিজ্ঞতা মোটেও সুখকর নয়। ভিয়েতনামের একটি প্রতিষ্ঠানকে আয়কর খাতে উন্নয়নের একটি প্রকল্প দিয়ে কোনো ফল মেলেনি। ভ্যাটের একটি প্রকল্পও মাঝপথে ফেলে যায় কোম্পানিটি।
এনবিআরের এমন প্রকল্প নেয়ার আলোচনায় উদ্বেগ জানিয়েছেন দুর্নীতি বিরোধী সংস্থা- টিআইবি। সম্প্রতি গণমাধ্যমে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে, নতুন প্রকল্প নেয়ার আগে অতীতের ব্যর্থতা মূল্যায়নের দাবি জানিয়েছে সংস্থাটি। তবুও এনবিআর কর্মকর্তা বলছেন, এবার যাতে প্রকল্প পুরো সফল হয়, সে ব্যবস্থা করা হবে।
মূল্যস্ফীতি ৪ থেকে ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা সম্ভব: গভর্নর