ধীরে ধীরে প্রাণ ফিরে পাচ্ছে পুরান ঢাকার আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেল। আবর্জনার জঞ্জাল সরেছে। খননের প্রাথমিক কাজও প্রায় শেষ। তবে চ্যানেলটির বিভিন্ন পয়েন্টে এখনও কিছু অবৈধ স্থাপনা রয়ে গেছে। দক্ষিণের মেয়র বলছেন, স্থায়ী সীমানা পিলার বসিয়ে আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেলে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করা হবে।
বছরখানেক আগেও মৃতপ্রায় ছিলো আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেল। শুকনো মৌসুমে হেঁটে এপার থেকে ওপার যাওয়া যেতো। ভরা বর্ষাতেও ছিলো না পানির স্বাভাবিক প্রবাহ।
তবে চ্যানেলটির চেহারা এখন অনেকটাই বদলে গেছে। আবর্জনার জঞ্জাল সরেছে। পানির প্রবাহও ফিরে এসেছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, ২৫-৩০ বছর আগেও গোসল করা গেলেও তা বদলে যায় সময়ের সাথে সাথে। এখন আবার প্রশাসনের হস্তক্ষেপে কিছুটা প্রাণ ফিরে পেয়েছে আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেল।
আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেল ঘিরে দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মহাপরিকল্পনা রয়েছে। এর অংশ হিসেবে প্রায় সাড়ে ২৩ কোটি টাকা ব্যয়ে চ্যানেলটিতে জমে থাকা বর্জ্য সরানো হয়েছে। একবছর ধরে চলছে এই কর্মযজ্ঞ।
চ্যানেলটিকে হাতিরঝিলের আদলে সাজাতে চায় দক্ষিণের নগর প্রশাসন। স্থায়ী সীমানা পিলার দিয়ে বুড়িগঙ্গার এই শাখাটির পুন:দখল ঠেকানো হবে। নদী পাড়ে থাকবে ওয়াকওয়েসহ নাগরিক নানা সুযোগ-সুবিধা।
দক্ষিণের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, নদী প্রবাহের অববাহিকা ফিরে এসেছে। আমরা নান্দনিকতার দিকেও নজর দেবো।
বুধবার আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেল পরিদর্শনে গিয়ে মেয়র স্বীকার করেন এখনও কিছু অবৈধ স্থাপনা রয়ে গেছে। পর্যায়ক্রমে সেগুলো উচ্ছেদ করা হবে।
তাপস বলেন, যেসব জমি এখনো দখলে আছে, আমরা সেগুলোও ধাপে ধাপে দখলমুক্ত করবো।
আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেলে স্বাভাবিক পানি প্রবাহ নিশ্চিত করা হলে লালবাগ, হাজারীবাগ, ধানমন্ডি ও কামরাঙ্গীরচর এলাকার জলাবদ্ধতা দূর হবে বলেও মনে করছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন।
তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংস্কারের দাবি
পদলেহন করবে এমন সরকার দেশে চায় কিছু বিশ্ব মোড়ল: প্রধানমন্ত্রী