ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার প্রসাধনী উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান লতা হারবালের মালিক আইয়ূব আলী ফাহিমকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে ধানমন্ডি থানায় দায়ের হওয়া ধর্ষণ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
ফাহিজমকে আদালতে হাজির করে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন ধানমন্ডি থানার উপ-পরিদর্শক খোকন মিয়া। এসময় আসামিপক্ষের আইনজীবী জামিন আবেদন করেন।
উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মামুনুর রশিদ জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
ধর্ষনের শিকার নারী, চার মাস ধরে তিনি ধর্ষণের শিকার হচ্ছেন। পারিবারিক চাপে তিনি এত দিন মুখ খুলতে সাহস পাননি। অবশেষে নিরুপায় হয়ে তিনি থানায় মামলা করেন। ভুক্তভোগী নারী গ্রেপ্তার ফাহিমের সৎ মেয়ে।
ধানমন্ডি থানার ওসি পারভেজ ইসলাম বলেন, ধর্ষণের অভিযোগে লতা হারবালের মালিক আইয়ূব আলী ফাহিমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমরা প্রাথমিকভাবে ধর্ষণের প্রমাণ পেয়েছি। ভিডিও পেয়েছি যেখানে জোরপূর্বক ধর্ষণের প্রমাণ মেলে।
বুধবার ফাহিমকে বুধবার আদালতে তুলে সাত দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়। তবে আদালত রিমান্ড মঞ্জুর না করে তাকে কারাগারে পাঠান।
মামলা এজাহার থেকে জানা যায়, গত বছরের ৩০ মার্চ রাতে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে এবং ভুক্তভোগীর শিশু সন্তানকে হত্যার হুমকি দিয়ে ধর্ষণ করেন অভিযুক্ত। এরপর ধারাবাহিকভাবে চার মাস বাসায় আটকে রেখে অস্ত্রের মুখে একই কায়দায় ধর্ষণ করতেন বলে দাবি ভুক্তভোগী নারীর।
ভুক্তভোগী মামলায় আরও অভিযোগ করেন, অস্ত্রের মুখে ধর্ষণের দৃশ্য মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণা করে রাখেন ফাহিম। ভয়ভীতি দেখান, যদি এই ঘটনা কাউকে বলা হয় তাহলে অনলাইনে ছেড়ে দেবেন। এরই মধ্যে তিনি ফাহিমের বাসা থেকে পালিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে তার মায়ের কাছে চলে যান। পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব না পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করেন। নাগরিকত্ব পাওয়ার পরে দেশে রেখে যাওয়া তার শিশুপুত্রকে উদ্ধার করতে ৩০ নভেম্বর দেশে ফিরে আসেন। এরপর মঙ্গলবার দুপুরে মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী নারী।
ভিসা, পাসপোর্ট আউটসোর্সিংয়ের শুরুতেই বিপর্যয় নিয়ে প্রশ্ন