রাজধানীর হাজারীবাগে ছুরিকাঘাতে আহত যুবদলের নেতা জিয়াউর রহমান জিয়া (৪০) মারা গেছেন।
বুধবার ভোর ৪টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এর আগে ১৫ নভেম্বর রাতে হাজারীবাগ এনায়েতগঞ্জ এলাকায় একটি মাহফিল শেষে বাড়িতে ফেরার পথে বেশ কয়েকজন সন্ত্রাসী তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করে পালিয়ে যায়। পরে তাকে সেখান থেকে উদ্ধার করে রাত সোয়া ১০ টার দিকে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে হাজারীবাগ উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাহবুবুল আলম জানান, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সন্ত্রাসীরা তাকে কুপিয়ে আহত করে, পরে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার ভোরে মারা যান।
এসআই মাহবুবুল আরও বলেন, আইনি প্রকৃয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে পাঠানো হয়েছে।
হাজারীবাগের ভাগলপুর লেনের মৃত হাজী আফতাব উদ্দিনের ছেলে জিয়া।
নিহতের ভাগনী নাফিসা আক্তার জানান, তার মামা জিয়া ঠিকাদারি ব্যাবসা করতেন এবং হাজারীবাগ থানা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন।
তিনি আরও জানান, ঘটনার দুদিন আগে খুনিরা একই এলাকার একটি ছেলেকে মারধর করে। এ নিয়ে প্রতিবাদ করেন নিহত জিয়ার ভাগিনা এলহাম। এতে তারা এলহামের ওপর ক্ষিপ্ত হয়। পরে এলহাম আরও শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে খুনিদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে। খুনিদের ধারণা ছিলো, জিয়ার ইন্ধনে তারা এসব করেছিলো। এ সমস্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে একই এলাকার রিপন, মাসুদ, সুমন, বিল্লালসহ আরও বেশ কয়েকজন জিয়ার ওপর হামলা করে তাকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
ঢাকা ও সিটি কলেজ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া
সায়েন্সল্যাব মোড় রণক্ষেত্র, সিটি কলেজে ভাঙচুর