ঢাকার দোহারে আমিরাবাদ চরে দশ হাজার একর জায়গায় পাওয়ার প্ল্যান্ট নির্মাণের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এ চরে পাওয়ার প্ল্যান্ট নির্মিত হলে পাওয়ার গ্রিডে সংযুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা ও ঢাকা ১ (দোহার-নবাবগঞ্জ) সালমান এফ. রহমান।
বুধবার (১৭ নভেম্বর) দুপুরে দোহারে পদ্মা নদীর বাম তীরে ২শ’ ১৭ কোটি টাকা ব্যয়ে সাড়ে ৬ কিলোমিটার সংরক্ষণ বাঁধ পরিদর্শনে এসে এ তথ্য জানান তিনি।
এসময় প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হবে কিনা সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দোহারে সবচেয়ে বড় সমস্যা নদী ভাঙন। গত সংসদ নির্বাচনের আগে আমি কথা দিয়েছিলাম দোহারের নদী ভাঙন সমস্যা সমাধানের। এজন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রকল্প চাইলে তিনি প্রকল্পটির অনুমোদন দেন।
তিনি আরো বলেন, শুরুতে যে প্রকল্পটি নিয়েছিলাম সেটি বাস্তবায়ন করতে গিয়ে দেখা যায় নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়ে যায়। ফলে আবার নতুন করে গবেষণা করতে হয়। এর ফলে শুধু বাঁধ নয় প্রকল্পের সাথে ড্রেজিং ও সংযুক্ত করতে হয়েছে। ফলে প্রকল্পের ব্যয় বেড়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে পুরো দোহারের নদী সীমানা বাঁধের আওতায় আসবে। এতে দোহারের প্রতিটি এলাকা হবে নিরাপদ।
আরও পড়ুন: বাসায় চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি, আর কতো চান: প্রধানমন্ত্রী
এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, প্রকল্প পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তানভীর হক, পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতি. প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল মতিন সরকার, দোহার উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন, দোহার উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ.এফ.এম ফিরোজ মাহমুদ, দোহার সহকারী ভূমি কর্মকর্তা ফজলে রাব্বি, দোহার সার্কেল অফিসার জহিরুল ইসলাম, দোহার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল, নবাবগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম শেখ, নারিশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সালাহউদ্দিন দরানী, মোকসুদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এম. এ হান্নান, ঢাকা জেলা (দক্ষিণ) ছাত্রলীগের সভাপতি গিয়াসউদ্দিন সোহাগ প্রমুখ।
একাত্তর/আরএ
