কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে কৃষকের ঘরে বানানো কলা পিঠা খেয়ে নারী ও শিশুসহ ৩৩ জন বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্তদেরকে করিমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৬ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন বলে জানা গেছে।
বিভিন্ন সুত্রে জানা গেছে, সোমবার (২৭ ডিসেম্বর) সকালে করিমগঞ্জ উপজেলার সুতারপাড়া ইউনিয়নের উত্তর গণেশপুর (নয়া চামটা) গ্রামের কৃষক উবাইদুল্লাহ মিয়ার ঘরে কলার পিঠা বানানো হয়। আর সে পিঠা তাদের আত্মীয়-স্বজন মিলে খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে। আক্রান্তদের মধ্যে আটজন শিশু রয়েছে।
আক্রান্তরা হলেন, হেদায়েত উল্লাহ (২০),তাসলিমা (৩২), হাফিজা (৫৫), জহেরুল বেগম (৫৫), মরিয়ম (৫৫), বেগম (৫৫), লোকমান মিয়া (৭), উবাইদুল্লাহ (২৮), নাছিমা (২৫), খাদিজা বেগম (২২), মজনু মিয়া (৩০),চন্দু মিয়া (৬৫), মিজানুর রহমান (৩২), মনি বেগম (২০),বুশরা (৭), সাউদা (২), হাফসা বেগম (৩০), হাফিজ উদ্দিন (৭০), জাকিয়া বেগম (৩০),আফরোজা (৯), নাফিজা বেগম (১৮),ইব্রাহিম (১১), সালাউদ্দিন (৬০), হানিফ মিয়া (৮০), ইকরা (১৮), মিশবা (৫০), হুসাইন (৭),জামিলা (৪৫),সামিয়া(৫), আমেনা বেগম (৭০), রাবেয়া (৭),মহিবুর (১২) প্রমুখ।
কমিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. রিয়াদ শাহেদ রনি জানান, পারিবারিকভাবে বানানো কলাপিঠা খেয়ে কলার পিঠা খেয়ে প্রথমে তাদের পেট ব্যাথা শুরু হয়। তারপর পাতলা পায়খানা ও সেই সাথে বমি ও জ্বরে সবাই অসুস্থ হয়ে পড়েন। এ অবস্থায় ৩৩ জন করিমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্যে আসে। তাদেরকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে বলে তিনি জানান।
কিশোরগঞ্জ সিভিল সার্জন ডা. মো. মুজিবুর রহমান জানান, খবর পেয়ে স্যানিটারী ইন্সপেক্টরের মাধ্যমে পিঠার স্যাম্পল সংগ্রহ করা হয়েছে। পরীক্ষার পর জানা যাবে, কেন তারা অসুস্থ হয়েছিলো। তিনি আরো জানান, চিকিৎসার পর ৬ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। অন্যরাও আশঙ্কামুক্ত বলে তিনি এ প্রতিনিধিকে নিশ্চিত করেছেন।
একাত্তর/এআর
