এ বছর চুয়াডাঙ্গায় শিলা বৃষ্টি এবং ঝড়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে ফসলি জমির। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি বিকেলে তুমুল ঝড় শুরু হয় এই এলাকায়। তারপরেই যত ঘটনা, কৃষকের মাথায় হাত।
এই ঝড়ে ক্ষতি হয়েছে ফসলি জমির প্রায় ২০ হাজার হেক্টর ভুট্টাসহ মোট ৩০ হাজার হেক্টর উঠতি ফসল। এর মধ্যে আছে, তামাকসহ আরও নানা ফসল।
যা টাকার অঙ্কে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকার মতো। পাশাপাশি এই শীলা বৃষ্টিতে জেলার শতাধিক ইটের ভাটার প্রায় ৬শ কোট টাকার কাঁচা ইট নষ্ট হয়ে গেছে।
কৃষকরা বলছেন, ধার দেনা করে এসব ফসলের আবাদ করেছিলেন তারা। কিন্তু প্রকৃতির এমন ধ্বংস লিলায় কৃষকরা এখন বিপাকে। চাইছেন সরকারি সাহায্য।
তবে, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বলছে, প্রাথমিক পর্যায়ে এর ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৫শ কোটি টাকার মরতা। যা কৃষকদের এই ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার সহযোগিতায় সরকারি কৃষি প্রণোদোণার কথা ভাবছে কর্তৃপক্ষ।
চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ডঃ মো. আব্দুল মাজেদ বলছেন, ঝড় ও শীলা বৃষ্টিতে কৃষি ফসলের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরসনে কাজ চলছে। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদেরকে কৃষি প্রণোদোণা দেয়ার বথাও চলছে। তিনি মনে করেন, ফসলের কৃষি বীমা থাকলে কৃষকরা উপকৃত হবে।
এদিকে, চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রাথমিক জরিপ বলছে, চলতি মৌসুমে জেলায় ৪৪ হাজার ৫৩০ হেক্টর ভুট্টা ও ৩৬ হাজার ৮৭৯ হেক্টর বোরোসহ সব মিলে ১ লাখ ৬৩২ হেক্টর ফসলের আবাদ হয়েছে।
