ভোজ্যতেলের মজুদ, বোতলের গায়ে লেখা দাম ঠিক আছে কিনা তা তদারকি করতে এস আলম গ্রুপের চট্টগ্রামের কারখানাতেও অভিযান চালিয়েছে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর।
এর আগের অভিযানে উৎপাদন বন্ধ পেলেও, এবার কারখানা চালুর পাশাপাশি পর্যাপ্ত মজুদ দেখতে পেয়েছেন ভোক্তা অধিকারের কর্মকর্তারা।
ভোজ্যতেলের দাম বেড়ে যাওয়ায়, গত ১৩ মার্চ অভিযান চালিয়ে এস আলম ভেজিটেবল অয়েল কারখানার বোতলজাতকরণের ইউনিটটি বন্ধ পায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। সরবরাহ ঠিক রাখতে সে সময় ইউনিটটি দ্রুত চালুর নির্দেশনা দেয়া হয়।
তেলের মজুদ, সরবরাহ এবং বোতলে লেখা দাম ঠিক আছে কিনা তদারকিতে রোববার একই কারখানা পরিদর্শনে যায় ভোক্তা অধিকারের কর্মকর্তারা।
কারখানা কর্তৃপক্ষ জানায়, বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের পাশাপাশি খোলা সয়াবিন তেলের সরবরাহও পর্যাপ্ত।
আরও পড়ুন: আবারো হাইকোর্টের আদেশ অমান্য করে চেয়ারে বসলেন নিপুণ!
আর ভোক্তা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, ‘সাপ্লাই অর্ডার’ নেয়ার পর ১৫ দিনের মধ্যেই ডেলিভারি দেয়ার সরকারি নির্দেশনা মানার জন্য কারখানা কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
সরকারের বেধে দেয়া মূল্যে তেল বিক্রি হচ্ছে কিনা তদারকিতে অভিযান চলবে, জানান ভোক্তা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।
একাত্তর/আরএ
