কুমিল্লা সিটি নির্বাচনে প্রচারের শেষ মুহূর্তেও ভোটের পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা জানিয়েছেন দুই স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী। এসবের মধ্যেও প্রত্যেক প্রার্থী ভোটারদের কাছে সরাসরি ভোট চাইছেন।
আর প্রচারের সময় আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, তাঁর জয় নিশ্চিত জেনেই এত অভিযোগ করছেন প্রতিদ্বন্দ্বীরা।
রোববার (১২ জুন) দুপুর দু'টোর পর নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কু। ছয় পাতার নির্বাচনী ইশতেহারে ছিলো না নতুন কোন চমক।
ইশতেহারে অসম্পূর্ণ কাজ সম্পন্ন করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করা হয়েছে। সে সঙ্গে ১৫ জুন নির্বাচনে সিটি এলাকায় বহিরাগতরা অবস্থান নিয়ে প্রভাব বিস্তার করতে পারেন বলে শঙ্কা জানান তিনি।
এর আগে সকালে তিনি নগরীর দারোগাবাড়ি এলাকায় প্রচারে যান। এ সময় তিনি নগরীতে বহিরাগতদের প্রবেশের অভিযোগ করেন।
সাক্কু বলেন, ভোটের দিনের পরিস্থিতি নিয়ে আমি শঙ্কিত। শুনেছি, বিভিন্ন উপজেলা ও ইউনিয়ন থেকে বহিরাগত লোক এনে ভোটকেন্দ্রের সামনে রাখা হবে।
একই অভিযোগ তুলেছেন আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী নিজাম উদ্দিন কায়সার। তিনি জানান, একজন সংসদ সদস্য নির্বাচনকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন।

তবে, অভিযোগ অস্বীকার করে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আরফানুল হক রিফাত জানান, নৌকার জয় নিশ্চিত জেনেই প্রতিদ্বন্দ্বীরা ভোটের পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
আরও পড়ুন: কক্সবাজারে ভাই-বোন পেটানোর ঘটনায় দুজনকে আটক
১৫ জুন কুমিল্লা সিটিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এ সিটিতে এবার ২৭টি ওয়ার্ডের ১০৫টি কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণ হবে।
মোট ভোটার দুই লাখ ২৯ হাজার ৯২০ জন। তাদের মধ্যে নারী ভোটার এক লাখ ১৭ হাজার ৯২ এবং পুরুষ ভোটার এক লাখ ১২ হাজার ৮২৬ জন।
একাত্তর/এসি
