অস্ত্র হাতে ছবি ভাইরাল হওয়া চৌদ্দগ্রাম উপজেলা যুবলীগ নেতা মনিরুজ্জামান জুয়েলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার রাতে তাকে রাজধানীর বনানী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সোমবার দুপুরে, পুরোনো মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে আদালতে তোলা হয়। পরে আদালতের বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শুভ রঞ্জন চাকমা বলেন, চেক ডিজওনারসহ তিনটি মামলায় জুয়েলেরে বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা আগে থেকেই ছিলো।
ওই তিনটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে আদালতে পাঠায় পুলিশ। এ সময় জুয়েলের জামিনের আবেদন করেন তার আইনজীবীরা।
পরে শুনানি শেষে তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে বিচারক মনিরুজ্জামান জুয়েলকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
তিনি আরও বলেন, আগে থেকেই আমরা তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছিলাম। রোববার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তার অবস্থান জানতে পেরে তাকে গ্রেপ্তার করি।
তিনটি মামলায় আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকা জুয়েলকে রোববার রাত ১০টার দিকে রাজধানীর বনানী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার চৌদ্দগ্রামে এক ব্যক্তির বাড়ি থেকে দাওয়াত খেয়ে ব্যক্তিগত গাড়িতে নিজ গ্রাম মান্দারিয়ায় ফিরছিলেন শ্রীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহজালাল মজুমদার।
হামলার শিকার শাহজালাল মজুমদারের দাবি, জুয়েলের নেতৃত্বে অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা চালিয়েছে একদল সন্ত্রাসী।
হামলার পর হাতে বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র আর মুখে সিগারেটসহ মনিরুজ্জামান জুয়েল একটি ছবি নিজ ফেসবুকে শেয়ার করেন শাহজালাল। এরপরই সেটি সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল হয়।
পুলিশ অস্ত্রটি জুয়েলের নামে লাইসেন্স করা বলে দাবি করেছিলো। গত শনিবার জুয়েলের স্ত্রী ফারজানা হক ৮৬ রাউন্ড গুলিসহ অস্ত্রটি চৌদ্দগ্রাম থানায় জমা দিয়েছেন।
একাত্তর/এআর
