নীলফামারীতে আগুনে পুড়েছে পাঁচটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও দুইটি বসত ঘর।
সোমবার (২২ আগস্ট) দিবাগত মধ্যরাতে জেলা শহরের সবুজপাড়া মহল্লার ওয়াবদা মোড়ে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি দোকান মালিকদের।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ওয়াপদা মোড়ে মামুনুর রশিদ ও মাসুদুর রশিদের বাড়ির সাথেই তাদের একটি মার্কেট রয়েছে। রাত একটার দিকে ওই মার্কেটে থাকা মমতাজ খান রকির মোটরসাইকেল মেরামতের গ্যারেজে আগুন দেখতে পাওয়া যায়। এলাকার লোকজন এগিয়ে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা চালালেও দ্রুত তা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। এতে ওই মোটরসাইকেল গ্যারেজসহ পার্শ্ববর্তী মুদি, মোবাইল রিচার্জ ও কম্পিউটার, চায়ের দোকানসহ পাঁচটি দোকান ঘর, দোকানে থাকা মালামাল ও এসব দোকানের পেছনে লাগোয়া মামুনুর রশিদ ও মাসুদুর রশিদের বাড়ির আধপাকা দুটি বসতঘর এবং ঘরে রক্ষিত মালামাল পুড়ে যায়।
খবর পেয়ে নীলফামারী ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে দু’ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
মোটরসাইকেল গ্যারেজ মালিক মমতাজ খান রকির বাবা আব্দুল গফফার খান বলেন, রাতে গ্যারেজ বন্ধ ছিলো। আগুন দেখে এলাকার লোকজন খবর দিলে ছেলেসহ এসে দেখি ভেতরে আগুন জ্বলছে। গ্যারেজে থাকা চারটি মোটরসাইকেল ও মালামাল পুড়ে গেছে।
অগ্নিকাণ্ডের কারণ জানা না গেলেও বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আগুনে ঘর হারানো মাসুদুর রশীদ বলেন, আগুনে আমার বাড়ি এবং মার্কেটে থাকা পাঁচটি দোকান পুড়ে গেছে। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় ঘরে থাকা কিছুই বের করতে পারিনি।

নীলফামারী পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আব্দুল মতিন বলেন, আমি ওই রাতে ও মঙ্গলবার সকালে সেখানে গিয়েছিলাম। অগ্নিকাণ্ডে পাঁচটি দোকান সম্পূর্ণ ও দুটি দোকান আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব দোকানের পেছনে লাগোয়া দুটি আধপাকা ঘরও পুড়ে গেছে।
নীলফামারী ফায়ার সার্ভিসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মো. মিয়ারাজ উদ্দিনের বলেন, খবর পেয়ে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। আগুনের সূত্রপাত এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
আরও পড়ুন: ট্রলারডুবিতে নিখোঁজের ৪০ ঘণ্টা পর তরুণের মরদেহ উদ্ধার
মঙ্গলবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন নীলফামারী পৌরসভার মেয়র দেওয়ান কামাল আহমেদ, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহিদ মাহমুদ। তারা ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।
একাত্তর/আরএ
