গত ১৭ নভেম্বর "বিদ্যুতের তার চুরি হওয়ায় নিভে গেছে ভুলতা ফ্লাইওভারে ল্যাম্পপোস্টের বাতি" এমন একটি সংবাদ একাত্তর টেলিভিশনে প্রচারিত হবার পর টনক নড়েছে কর্তৃপক্ষের। এরপর বিদ্যুতের তার নতুন করে সংযোগ দেয়ায় দীর্ঘ ১৪ মাসপর বুধবার (২৩ নভেম্বর) সন্ধ্যা থেকে ফের জ্বলে উঠেছে ফ্লাইওভারে বাতিগুলো।
জানা যায়, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ও এশিয়ান হাইওয়ে (বাইপাস) সড়কের যানজট নিরসনে ২০১৫ সালের অক্টোবরে ভুলতা গোলাকান্দাইল গোল চত্বরে সরকারের মেগা প্রকল্প ভুলতা উড়াল সেতু নির্মাণের প্রকল্প হাতে নেয় সরকার।

৩৫৩ কোটি ৩৬ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত ভুলতা উড়াল সেতুটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৯ সালের ১৬ মার্চ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধনের পর বেশ কয়েক মাস সড়কটি ভালো থাকলেও এরপরই শুরু হয় নানা অনিয়ম ও বিশৃঙ্খলা। হঠাৎ করে নিভে যায় উড়াল সেতুর উপরের ও নিচের ল্যাম্প পোস্টগুলোও। রাত হলেই সেতুর উপরে নেমে আসে অন্ধকার। আর সেই অন্ধকারকে পুঁজি করে এ সেতুতে সংঘঠিত হয় ডাকাতি, ছিনতাইসহ নানা অপকর্ম। সেজন্য সন্ধ্যা হলে আতঙ্ক ও ভয়ের সেতু হিসেবে পরিচিত স্থানীয় জনসাধারন ও চলাচলরত চালক, যাত্রী সাধারণের মাঝে।

এ বিষয়ে গত ১৭ নভেম্বর একাত্তর টেলিভিশনে সচিত্র প্রতিবেদন প্রচারিত হবার পর সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের টনক নড়ে। গত কয়েকদিন যে সকল স্থান থেকে বিদ্যুতের তার চুরি হয়ে গিয়েছিল সেই স্থানে মেরামত করে গতকাল বুধবার সন্ধ্যা থেকে বিকল হওয়া ল্যাম্পপোস্ট গুলোতে সংযোগ দেয়া হয়। জ্বলে উঠেছে ফ্লাইওভারের বাতি। এতে স্থানীয় প্রশাসন, জনসাধারন ও চলাচলরত যানবাহন চালকদের মনে স্বস্তি ফিরে এসেছে। আইন শৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে দাবী করেন তারা।
ভুলতা হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ ওমর ফারুক বলেন, দীর্ঘ দিন পর ভুলতা ফ্লাইওভারের বাতিগুলো জ্বলে উঠায় এখানকার আইনশৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। ফ্লাইওভারে নির্ভয়ে চালকেরা যানবাহন নিয়ে চলাচল করতে পারবেন।
একাত্তর/এআর
