টানা বর্ষণে চট্টগ্রামে বাড়ছে পাহাড় ধসের শঙ্কা

আপডেট : ০৮ জুন ২০২১, ১০:০৩ পিএম

টানা বর্ষণ হলেই চট্টগ্রামে বাড়ে পাহাড় ধসের শঙ্কা। পাহাড়ে থাকা মানুষকে সরাতে তোড়জোড় শুরু হয় প্রশাসনের। গুটিকয়েক পরিবারকে সরানো সম্ভব হলেও থেকে যায় বেশিরভাগই। কর্তাব্যক্তিরা চলে যাবার পরপরই আবার পাহাড়ের ফিরে যান তারা। 

কক্সবাজারে এই বর্ষাতেও ঝুঁকির মুখে আছে রোহিঙ্গাসহ পাহাড়ের লাখো বাসিন্দা। তারা বলছেন, পাহাড় থেকে লোকজন সরিয়ে নেয়ার উদ্যোগ থাকলেও তাদের বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হয়নি। শনিবার (৫ জুন) কক্সবাজারের উখিয়ার বালুখালী ও টেকনাফের চাকমারকুল রোহিঙ্গা শিবিরে পাহাড় ধসে দুইজন নিহত হয়েছে।

চট্টগ্রামে পাহাড় ধসে গত ১৪ বছরে দুই শতাধিক মানুষের প্রাণহানি হয়েছে। এরপরও ঝুঁকিপূর্ণ বসতি সরাতে প্রশাসনের কোনো উদ্যোগই কাজে আসছে না। দূর্ঘটনা ঠেকাতে পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটি ৩৬টি সুপারিশ করলেও এর কোনোটি আজও বাস্তবায়ন হয়নি।

চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার কামরুল আহসান জানান, পাহাড় ধসে আর যেন মৃত্যুর ঘটনা না ঘটে তার স্থায়ী সমাধানে সরকারকে একটি প্রস্তাবনা দেওয়া হবে। 

চট্টগ্রামে গত ১৪ বছরে পাহাড় ধসে মারা যায় ২৩৫ জন মানুষ। সবচেয়ে বড় দূর্ঘটনা ঘটে ২০১৭ সালের ১১ জুন। ঐদিন মারা যায় ১২৭ জন। এ ঘটনার পর গঠিত হয় ১৮ সদস্যের পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটি। কিন্তু গেল এক দশকে কেবল বর্ষা মৌসুমে উচ্ছেদ অভিযানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে কমিটির কার্যক্রম। 

জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, ১৭টি ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ে বসবাস করছে ৮৩৫টি পরিবার। বাস্তবে পাহাড়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাস করছে এর চেয়েও অনেক বেশি মানুষ। 

জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বসবাসকারী লোকজন বলছেন তারা উপায়হীন বলে ঝুঁকি জেনেও এখানে থাকছেন। পূনর্বাসিত হলে তারা এখানে থাকবেন না।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে টানা বৃষ্টিতে ঝুঁকিতে পাহাড়ের লাখো বাসিন্দা

আর বিভাগীয় কমিশনার বলছেন,পাহাড় ধসে মৃত্যু ও সেখানে বাসবাসকারীদের সমস্যা স্থায়ীভাবে সমাধানে প্রশাসন কাজ করছে। পাশাপাশি পাহাড়ের সমস্যার স্থায়ী সমাধানে সরকারকে একটি প্রস্তাবণা দেওয়া হবে।

পরিবেশবিদরা বলছেন চট্টগ্রামে পাহাড়গুলো নিয়ন্ত্রণ করছে প্রভাবশালী একটি মহল। ফলে স্থানীয় প্রশাসন চাইলেও ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারীদের উচ্ছেদ করতে পারছে না। প্রভাবশালীদের সহায়তায় প্রতিবছরই পাহাড়ে অবৈধ বসতি গড়ে তোলে নিম্ন আয়ের মানুষ।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে পাহাড় ধসে দুই রোহিঙ্গা নিহত

১৭ টি ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের মধ্যে ৭টি পাহাড়ের মালিকানা সরকারী বিভিন্ন সেবা সংস্থার। ইতিমধ্যে পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় পাহাড়ে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির অবৈধ সংযোগের তালিকা তৈরী করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। যেসব সরকারি সংস্থার মালিকানাধীন পাহাড়ে অবৈধ স্থাপনা আছে, তারা এখনো তালিকা দেয়নি।


একাত্তর/আরবিএস  

টানা বৃষ্টির কারণে শেরপুরের সীমান্ত সড়কে পাহাড় ধসে যোগাযোগ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে সীমান্ত সড়কের শ্রীবরদী উপজেলার গলাচিপা এলাকায় এই পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটে। এতে সড়কের দুই পাশে...
দলীয় কোন্দলে পড়ে গুলি খেতে না চাইলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) রাজনীতি করার আহ্বান জানিয়েছেন দলটির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ।
‘হাড় নেই চাপ দিবেন না’ একটি  সতর্কবার্তা। খুলিহীন মাথায় মোড়ানো ব্যান্ডেজে কালো মার্কার দিয়ে লেখা সতর্কবার্তাটি। এটি শুধু সতর্কবার্তা নয়, মামুন মিয়ার জীবনের নাজুক অবস্থারও প্রতিফলন।  
টানা ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার একমাত্র আন্তঃজেলা সংযোগ সড়ক, মারিশ্যা দিঘিনালা সড়কে পাহাড় ধসে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
শারদীয় দুর্গোৎসবের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ও তাৎপর্যপূর্ণ দিন মহাঅষ্টমীতে দেবী দুর্গার জীবন্ত প্রতীক হিসেবে এক কুমারী শিশুকে আরাধনা করেছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।
সৌদি আরবে নিহত প্রবাসী বাংলাদেশি নুরুল হকের পরিবার সরকারের কূটনৈতিক সহায়তায় দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ক্ষতিপূরণের অর্থ বুঝে পেয়েছে। প্রাপ্ত এই সহযোগিতার জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা জানাতে নিহতের স্বজনেরা আজ...
বরগুনার বেতাগীতে কিশোর গ্যাং, অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, চাঁদাবাজি, অবৈধ দখলবাজি এবং ছড়িয়ে পড়া অনলাইন জুয়া চিরতরে নির্মূল করতে বেতাগী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) দুই মাসের (৬০ দিন) সময়সীমা বেঁধে...
কেউ যদি সাধারণ মানুষের প্রত্যাশার পরিপন্থী কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে, তবে সে বিষয়ে আইন ও সরকারের অবস্থান স্পষ্ট, এখানে কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর