ভোলায় চাঁদাবাজি মামলায় জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি জাকারিয়া হোসেন অমিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার দুপুরে শহরের গাজীপুর রোড থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এর আগে, সকাল ৯টার দিকে ভোলা সদর মডেল থানায় তাকে প্রধান আসামি করে পাঁচ লাখ টাকার চাঁদাবাজি মামলা করা হয়। মামলার বাদী ইলিশা লঞ্চঘাটের ম্যানেজার মো. মহসিন ঘরামি।
মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি জাকারিয়া হোসেন অমি গত ৩০ জুন ইলিশা লঞ্চঘাটের ইজারাদার আল নোমানের কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। পরে বাদী তাকে নগদ দুই লাখ টাকা দেন।
তবে বাকি তিন লাখ টাকার জন্য ছাত্রলীগের এই নেতা ফারুক নামে ঘাটের এক স্টাফকে মারধর করেন। কোনো উপায়ন্তর না পেয়ে ঘাট ম্যানেজার তার বিরুদ্ধে সদর মডেল থানায় চাঁদাবাজি মামলা করেন।
একাধিক বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, ছাত্রলীগের এই নেতা বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন (বিআইডব্লিউটিএ) এর জেলা কর্মকর্তাসহ পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে প্রায়ই অসদাচরণ করতেন। ২০১৯ সালে ছাত্রলীগের এ নেতাকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করে।
ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীন ফকির জানান, ইলিশা লঞ্চঘাটের ম্যানেজার মহসিন ঘরামির করা মামলায় জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি জাকারিয়া হোসেন অমিকে গ্রেপ্তার করে। পরে বিকেলে আদালতে তোলা হলে আদালত তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করে।
আরও পড়ুন: রামপালের কয়লাবাহী জাহাজের বন্দর ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
ওসি আরও জানান, ওই মামলায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ রয়েছে। এছাড়াও অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে ১০ থেকে ১২ জনকে। পুলিশ মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে।
একাত্তর/এসজে
