নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধা ইয়াজউদ্দিনের (৭৫) মরদেহের পাশে আগরবাতি জ্বালাতে গিয়ে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে চারজন দগ্ধ হয়েছে। এসময় আগুনে পুড়ে যায় ওই মুক্তিযোদ্ধার মরদেহের কিছু অংশও।
শনিবার রাতে উপজেলার তারাবো পৌরসভার বিশ্বরোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, দগ্ধরা হলেন কলেজ শিক্ষার্থী মিরাজ হোসেন (১৮), মাদ্রাসার শিক্ষার্থী সেমিন হোসেন (২২), ইলেক্ট্রিশিয়ান জুম্মন (৩০) ও জামদানি কারিগর কবির হোসেন (৪০)। তাদের সবার বাড়ী স্থানীয় তারাবো খালপাড় এলাকায়।
দগ্ধদেরকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন এন্ড প্লাস্টিক ইনস্টিটিউটে নেয়া হয়েছে। এদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশংকাজনক।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিশ্বরোড এলাকার মুক্তিযোদ্ধা ইয়াজউদ্দিন শনিবার বিকেলে মৃত্যুবরণ করেন। রাত ৮টার সময় মরদেহকে গোসল করানোর সময় পাশে দিয়াশলাই দিয়ে আগরবাতি জ্বালাতে গিয়ে গ্যাসলাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ হলে চারজন দগ্ধ হয়। এসময় আগুনে পুড়ে যায় মরদেহের কিছু অংশও।
পরে আশেপাশের লোকজন দগ্ধদেরকে উদ্ধার করে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন এন্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করান। এদিকে রাত সাড়ে ৯টার দিকে পুনরায় ওই মুক্তিযোদ্ধার মরদেহের গোসল সম্পন্ন করে দাফন করা হয়।
শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন এন্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. তরিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, দগ্ধ চারজনের মধ্যে জুম্মন নামে একজনের অবস্থা আশংকাজনক। তার শরীরের ২০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। বাকিদের পাঁচ শতাংশের মধ্যে রয়েছে।
আরও পড়ুন: পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
তিনি আরও জানান, জুম্মনকে ভর্তি করা হয়েছে। বাকি তিনজনকে পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) আতাউর রহমান বলেন, বিস্ফোরণের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। গ্যাসের পাইপলাইনের লিকেজ থেকে এ ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
একাত্তর/এসজে
