জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থী ফাইরুজ সাদাফ অবন্তিকার আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগের মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে জেল হাজতে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলাম জামিন পাননি।
বৃহস্পতিবার কুমিল্লার আদালতে দ্বীন ইসলামের জামিন আবেদন করেন তার আইনজীবীরা। অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ২য় আদালত ও স্পেশাল ট্রাইব্যুনালের বিচারক নাসরিন জাহান এ আদেশ দেন।
দ্বীন ইসলামের আইনজীবীরা জানান, বেলা ১২টার দিকে তারা আদালতে জামিন আবেদন করেন। পরে আদালত তা না মঞ্জুর করেন। তারা উচ্চ আদালতে জামিন আবেদন করবেন।
রাষ্ট্রপক্ষের পিপি অ্যাড. জহিরুল ইসলাম সেলিম বলেন, জামিন না মঞ্জুর করে আদালত দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন যেনো এমন অপরাধ যেনো আর কেউ না করেন।
এদিকে একই মামলায় গেল বুধবারও (২০ মার্চ) দ্বীন ইসলামের জামিন আবেদন করেন তার আইনজীবীরা। কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবু বকর সিদ্দিক সে সময় তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।
এদিকে একই অভিযোগের মামলায় অবন্তিকার সহপাঠী আম্মান সিদ্দিকীও জেল হাজতে রয়েছেন।
এদিকে অবন্তিকা মামলার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করে মানববন্ধন, বিক্ষোভ প্রতিবাদ সভা অব্যাহত রেখেছে সম্মিলিত নারী ফোরামসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন।
গত ১৫ মার্চ রাতে কুমিল্লা নগরীর বাগিচাগাঁয় নিজ বাসায় আত্মহত্যা করেন ফাইরুজ সাদাফ অবন্তিকা। তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
অবন্তিকা কুমিল্লা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যাপক প্রয়াত জামাল উদ্দিনের মেয়ে।
আত্মহত্যার আগেই নিজের ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে তার মৃত্যুর জন্য আম্মান সিদ্দিকী ও দ্বীন ইসলামকে দায়ী করেন অবন্তিকা।
তার মৃত্যুর পর মা তাহমিনা শবনমের করা মামলায় দ্বীন ইসলাম ও আম্মানকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই দুই আসামিকে ১৭ মার্চ রাতে কুমিল্লা জেলা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ।
এর আগে অবন্তিকার আত্মহত্যার ঘটনায় আসামিদের আংশিক সংশ্লিষ্টতা পাওয়ার কথা জানায় পুলিশ। অভিযুক্ত শিক্ষককে জবি থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।
৫০ বছর পর যেভাবে মাকে খুঁজে পেলেন এলিজাবেথ
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নামেই যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটি, কাজে নেই
অবন্তিকার আত্মহত্যা মামলায় সহপাঠী আম্মানের জামিন নামঞ্জুর