দীর্ঘ বন্যায় বীজতলা পঁচে যাওয়ায় জামালপুরে রোপা আমন চাষের খরচ বাড়ছে। কৃষকদের অভিযোগ, নতুন করে জমি তৈরি আর বেশি দামে ধানের চারা কিনতে ঋণ করতে হচ্ছে।
এই ব্যাপারে কৃষি কর্মকর্তারা জানান, ক্ষয়ক্ষতির হিসাব করা হচ্ছে, পাশাপাশি প্রণোদনার কথাও ভাবা হচ্ছে।
প্রায় দুই সপ্তাহের বন্যায় জামালপুরের নিচু এলাকায় ঘরবাড়ির সঙ্গে ভেসে গেছে রোপা আমন সহ বীজতলা ও সবজি ক্ষেত।
বন্যার পানি নেমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই রোপা আমনের জমি তৈরি শুরু করেছেন কৃষকরা। কিন্তু ধানের চারা সংগ্রহ করতে গিয়েই বিপাকে পড়ছেন।
তারা বলছেন, বন্যার কারণে বীজতলার চারাগাছ পঁচে গেছে। নতুন করে বীজ তলা দেয়ার সময় নেই। তাই বেশি দাম দিয়ে ধানের চারা কিনতে হচ্ছে।
কৃষকরা আরো জানান তারা কেউ ব্যক্তিগত, আবার কেউ এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে চাষ শুরু করেছেন।
এনিয়ে কৃষি কর্মকর্তা নিতাই চন্দ্র বণিক জানান এখন সারা জেলার ক্ষয়ক্ষতির হিসাব করা হচ্ছে। এরপরই ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রণোদনার জন্য বলা হবে।
চলতি মৌসুমে জামালপুর জেলায় রোপা-আমান আবাদ হয়েছে এক লাখ দুই হাজার ৮৫ হেক্টর জমিতে। নষ্ট হয়েছে ১২০ হেক্টর জমির বীজতলা।
এবারের বন্যায় জেলার ছয় উপজেলার ৩৯ ইউনিয়নের ১৬৯ গ্রামের প্রায় ২৩ হাজার পরিবারের লক্ষাধিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন। বন্যার পানি ঢুকে নষ্ট হয়েছে বাড়িঘরসহ প্রায় ১৮ কিলোমিটার কাঁচাপাড়া সড়ক।
একাত্তর/এআর
