প্রতীকী ছবি
শেরপুরের শ্রীবরদীতে একটি পাগলা কুকুরের কামড়ে ১৫জন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত উপজেলা বিভিন্ন এলাকায় যাকে যেখানে পেয়েছে কামড়িয়েছে ওই কুকুর। আহতরা শ্রীবরদী ও জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয়রা জানায়, দুপুরে কালো রঙয়ের একটি কুকুর প্রথমে মরিচাপাড়া, পুরান শ্রীবরদী, মামদামারীসহ বিভিন্ন এলাকায় যাকে যেখানে পেয়েছে তাকে সেখানেই কামড়িয়েছে। এতে শিশুসহ ১৫জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে দুইজন গুরুতর আহত হওয়ায় শেরপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। বাকীরা শ্রীবরদীতে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়িতে চলে গেছেন।
তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে কুকুরের কোন ভ্যাকসিন দেওয়া হয়নি, তাই বাইরে থেকে কেনা ভ্যাকসিন দিয়েছেন চিকিৎসকরা।
মামদামারী গ্রামের মোফাজ্জল হোসেন বলেন, ‘হাসপাতাল থেকে কুকুরের কোন ভ্যাকসিন দেয় নাই, আমি বাইরে ওষুধের দোকান থেকে কিনে এনেছি। আমার মতো অনেকেই আজ ভ্যাকসিন কিনে এনেছে। যদি সব কিছু কিনতেই হয় তাহলে হাসপাতালে কি পাওয়া যায়?’
আরও পড়ুন: পাঁচ টাকার জন্য রিকশাচালক খুন
বাঘহাতা গ্রামের মাহাজল হোসেন বলেন, ‘দুপুরে পাগলা একটি কুকুর বিভিন্ন এলাকায় কামড়িয়েছে। এতে আমার মেয়েও আহত হয়েছে। পরে হাসপাতালে আনলে ডাক্তাররা বাইরে থেকে ভ্যাকসিন কিনে আনতে বলে। এজন্য আমরা বাইরে থেকে ভ্যাকসিন কিনে নিয়ে আসি। আসলে সবারতো ভ্যাকসিন কেনার সামর্থ্য নেই। তাই হাসপাতাল থেকে দেওয়া দরকার।’
শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. অমিয় বলেন, ‘উপজেলা পর্যায়ে কুকুরের ভ্যাকসিন দেওয়া হয় না। তাই জেলা সদর হাসপাতালে দিতে হবে। এজন্য আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েছি ও তাদের বলেছি জেলা সদর হাসপাতালে যেতে। কিন্তু অনেকেই বাইরে থেকে ভ্যাকসিন কিনে এনেছে এজন্য আমরা তাদের দিয়েছি। তাছাড়া, আজ বৃহস্পতিবার বলে সব কিছু বন্ধ। রোববার সদর হাসপাতাল থেকে আহতরা ভ্যাকসিন নিতে পারবেন।’
একাত্তর/এসজে
