রাসেল’স ভাইপার আতঙ্কে টেঁটা বা ঝুপি কেনার হিড়িক পড়েছে বরিশালের আগৈলঝাড়ায়। দম ফেলার সময় পর্যন্ত পাচ্ছেন না আগৈলঝাড়ার টেঁটা তৈরির মৌসুমি কারিগররা।
আষাঢ়-শ্রাবণ মাস আসলেই ব্যস্ততা বাড়ে বরিশালের আগৈলঝাড়ার টেঁটা বা ঝুপি তৈরির কারিগর ও বিক্রেতাদের। এখানে তৈরি করা টেঁটা আকারভেদে বিক্রি করা হয় ৪০০ টাকা থেকে ১৬০০ টাকায়। আর এসব কিনতে ভিড় জমায় জেলার বিভিন্ন উপজেলার মানুষ।
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় লোহা ও গুনা আগুনে পুড়িয়ে, পিটিয়ে, বাঁশের কুড়া বা হাতল লাগিয়ে তৈরি হয় টেঁটা। একে ঝুপি বা ফুলকুচি নামেও ডাকে স্থানীয়রা। টেঁটা তৈরির মৌসুম চলে এখন।
টেঁটা তৈরির কারিগর ও বিক্রেতারা জানান, বর্ষা মৌসুমে টেঁটার চাহিদা বেড়ে যায়। তাই বাড়ে টেঁটা তৈরির ব্যস্ততা। তখন এই কাজে পুরুষের সাথে হাত লাগায় নারীরাও। একেকটা টেঁটা তৈরিতে সময় লাগে এক থেকে দেড় ঘণ্টা।
সাধারণত মাছধরার কাজে এই টেঁটা ব্যবহার হয়। আগৈলঝাড়ার টেঁটার মান ভালো, তাই বিভিন্ন হাটে টেঁটা কিনতে ভিড় জমায় আশপাশের উপজেলার মানুষ। এবার এই টেঁটার চাহিদা আরও বেশি।
টেঁটা কিনতে আসা লোকজন জানান, এবার শুধু মাছ শিকার নয়, রাসেল’স ভাইপার আতঙ্কেও টেঁটা কিনছেন অনেকেই!
প্রতি বছর মৌসুমি ব্যবসা হিসেবে টেঁটা তৈরির কাজে যুক্ত থাকে ২০টি পরিবার। জ্যৈষ্ঠ মাস থেকে শুরু করে টেটার চাহিদা থাকে কার্তিক-অগ্রহায়ণ মাস পর্যন্ত।
রাসেলস ভাইপারের কামড়ে আহত দুই কৃষক সাপ নিয়ে হাসপাতালে