জেলা প্রশাসনের আশ্বাসে ৩৬ ঘণ্টা পর রাঙ্গামাটির পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নিয়েছেন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের নেতারা।
রোববার রাতে জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে এক জরুরি সভায় প্রশাসনের আশ্বাসে পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাঙ্গামাটি অটোরিকশা চালক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান বাবু।
সভা শেষে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন খান বলেন, সিএনজি অটোরিকশা-বাস-ট্রাক শ্রমিকরা যারা আহত হয়েছেন তাদের উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে। বাস-ট্রাকসহ যেসব পরিবহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মন্ত্রণালয়ে ক্ষতিপূরণের বিষয়ে সহযোগিতা চাওয়া হবে। সহায়তা প্রাপ্তির পরিপ্রেক্ষিতে পরিবহন মালিক-শ্রমিকরা নির্দিষ্টকালের ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।
রাঙ্গামাটিতে সংঘর্ষের ঘটনায় বাস, সিএনজি অটোরিকশা, ট্রাক ভাঙচুর, শ্রমিক আহতের ঘটনার প্রতিবাদ, সুষ্ঠু সমাধান ও ক্ষতিপূরণ না পাওয়া পর্যন্ত শনিবার সকাল ৬টা থেকে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দেয় জেলা পরিবহন মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদ। হামলায় তাদের ১০টি ট্রাক, তিনটি বাস এবং অসংখ্য অটোরিকশা ভাঙচুর করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়। এতে সাত জন চালক গুরুতর আহত হন।
পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হলেও ৭২ ঘণ্টার অবরোধ এখনও চলমান আছে। এটি সোমবার শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার এস এম ফরহাদ হোসেন, সেনাবাহিনীর জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. এরশাদ হোসেন চৌধুরী, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশীদ মামুন, সিএনজি-বাস-ট্রাক শ্রমিক মালিক সমিতির নেতারা।
অবরোধ ও ধর্মঘটের ফলে জেলায় সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে বিপাকে পড়েছেন মানুষ।
রাজবাড়ীতে চরমপন্থি দলের সদস্যকে হত্যা