রাজবাড়ীতে তরমুজ খেয়ে চারজন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বলে দাবি স্বজনদের। তবে চিকিৎসক বলছেন, পরীক্ষার পরেই জানা যাবে প্রকৃত কারণ।
সোমবার দুপুরে ওই চারজন হাসপাতালে ভর্তি হন।
চার রোগী হলেন- রাজবাড়ী সদর উপজেলার বরাট ইউনিয়নের হাউলী জয়পুর গ্রামের আমজাদ হোসেন, তার ছেলে রুহুল আমিন, পুত্রবধূ রুপসী বেগম ও নাতনী রাজিয়া আক্তার।
চিকিৎসাধীন রুহুল আমিন জানান, শনিবার রাজবাড়ী সদর উপজেলার দাদশী বাজার থেকে একটি তরমুজ কেনেন তিনি। ওইদিন অর্ধেক তরমুজ খান তারা। পরে রোববার ইফতারের সময় বাকি অর্ধেক তরমুজ খাওয়া হয়। এসময় পরিবারের পাঁচ সদস্যের মধ্যে চারজনই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে সোমবার তারা হাসপাতালে ভর্তি হন।
রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. শেখ মোহাম্মদ আব্দুল হান্নান জানান, অসুস্থদের হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। ঠিক কী কারণে এমনটা ঘটেছে তা পরীক্ষার পর জানা যাবে।
অনেক সময় অতিরিক্ত লাভের আশায় তরমুজে ফরমালিন, স্যাকারিন, দূষিত পানিসহ নানান ধরনের ক্ষতিকর কেমিক্যাল মেশায় ব্যবসায়ীরা।
তরমুজ পাকা এবং লাল দেখানোর জন্য মেশানো হয় বিপজ্জনক লাল রঙ ও মিষ্টি স্যাকারিন।
ইনজেকশনের সিরিঞ্জের মাধ্যমে তরমুজের বোঁটা দিয়ে এসব দ্রব্য ঢুকিয়ে দিয়ে পাকা ও লাল টকটকে বলে বিক্রি করা হয়। এমন তরমুজ খেয়ে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েন।
মাঝরাতে মেডিকেলে অভিযান চালিয়ে দালাল ধরলো ম্যাজিস্ট্রেট