গত পাঁচ আগস্ট গাজীপুরের কোনাবাড়ি এলাকায় মো. হৃদয় নামে এক কলেজছাত্র গুলিতে নিহতের ঘটনায় ভাঙা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে এই খবর জানান ফরিদপুর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) শৈলেন চাকমা।
এর আগে বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে কর্মরত অবস্থায় ভাঙ্গা থানা থেকে তাকে আটক করে ঢাকা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
১৫ ফেব্রুয়ারি শফিকুল ইসলাম ফরিদপুরের ভাঙ্গা থানায় অফিসার ইনচার্জ হিসেবে যোগ দেন। এর আগে তিনি হবিগঞ্জ গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওসি ও গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের পরিদর্শক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
শৈলেন চাকমা বলেন, ওসি শফিকুল ইসলামের নামে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলা রয়েছে। এ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত তাকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বিষয়টি আমরা বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে জানতে পেরেছি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় গাজীপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পুলিশ পরিদর্শক হিসেবে কর্মরত ছিলেন মো. শফিকুল ইসলাম। আন্দোলনের সময় পাঁচ আগস্ট গাজীপুরের কোনাবাড়ি থানা এলাকায় পুলিশের গুলিতে মারা যান মো. হৃদয় নামে এক কলেজছাত্র। পরে এ ঘটনার এক ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। এ ঘটনায় অজ্ঞাত আসামি উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করা হয়।
মামলাটি বর্তমানে গাজীপুর ডিবিতে রয়েছে বলে জানান কোনাবাড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ নজরুল ইসলাম।
এছাড়া ওসি শফিকুল ইসলাম হবিগঞ্জ মডেল থানার একটি মামলার চার নম্বর আসামি। ২০২৩ সালের ১৯ আগস্ট হবিগঞ্জ জেলা শহরে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলে হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনার চলতি বছরের গত ২৫ ফেব্রুয়ারি হবিগঞ্জের সাবেক পুলিশ সুপার এসএম মুরাদ আলিকে প্রধান আসামি করে পুলিশের ১৮ সদস্যসহ ৭৫ জনের নামে মামলাটি দায়ের করেন হবিগঞ্জ পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এস এম আব্দুল আউয়াল।
পটুয়াখালীতে চার লাখ ইয়াবাসহ ১৬ কারবারি গ্রেপ্তার