ময়মনসিংহে আলাদা সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিন জনসহ আট জন নিহত হয়েছেন। এসব দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১৪ জন। তাদের ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সকাল থেকে দুপুর দুইটা পর্যন্ত জেলা সদর, ত্রিশাল ও তারাকান্দায় এ সড়ক দুর্ঘটনাগুলো ঘটে। তার মধ্যে সদরে তিন জন, ত্রিশাল চার জন এবং তারাকান্দায় একজন নিহত হন।
ময়মনসিংহ সদরে নিহতরা হলেন, লুৎফর রহমান (৩০), তার স্ত্রী শাহনাজ বেগম )২৫) এবং দুই বছর বয়সী ছেলে মাহিত।
ত্রিশালে নিহতরা হলেন, মারুফ (১৮) ও আপেল মিয়া (৩০) নাসিমা আক্তার (৩৫)। তবে ত্রিশালে নিহত আরেক জনের পরিচয় এখনও জানা যায়নি। তারাকান্দায় নিহত ব্যক্তির নাম আবুল বাশার (৬০)।
ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মাইনুদ্দিন জানান, ময়মনসিংহ-টাঙ্গাইল মহাসড়কে রহমতপুরে টাঙ্গাইলগামী বাসের পিছনে মাহেন্দ্র গাড়ি ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে একই পরিবারের ওই তিন জন মারা যান। তারা ঈদের ছুটিতে ময়মনসিংহের ভালুকা থেকে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও সাত জন।
ত্রিশাল থানার অফিসার ইনচার্জ কামাল হোসেন জানান, উপজেলার মাদানী সিএনজি পাম্পের সামনে যাত্রীবাহী পিকআপ ইউটার্ন নেওয়ার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা বাসের ধাক্কায় পিকআপের দুই যাত্রী নিহত হন। তাদের মধ্যে মারুফের বাড়ি ঈশ্বরগঞ্জ এবং আপেল মিয়ার বাড়ি নান্দাইল উপজেলায়।
এছাড়া ত্রিশালের বালিপাড়ায় ত্রিশাল-নান্দাইল সড়কে আরেকটি দুর্ঘটনায় বাসের ধাক্কায় দুই অটোরিকশাযাত্রীর মৃত্যু হয়। তাদের মধ্যে নাসিমার বাড়ি একই উপজেলার কাজিরকান্দা গ্রামে এবং অপর আরেকজনের পরিচয় সনাক্তে কাজ চলছে।
অপরদিকে তারাকান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ ওয়াজেদ আলী জানিয়েছেন, একই দিন সকালে তারাকান্দা উপজেলায় বাসের ধাক্কায় আবুল বাশার নামে এক পথচারীর মৃত্যু হয়েছে।
ঈদযাত্রার শেষ মুহূর্তে উত্তরের পথে দুর্ভোগে