সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে কাছারিবাড়িতে উদযাপিত হচ্ছে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৩তম জন্মজয়ন্তী। তিন দিন ব্যাপী অনুষ্ঠানমালার মধ্যে রয়েছে- গান, আলোচনা সভা, নাচ, আবৃত্তি ও নাটক।
বুধবার বেলা সাড়ে ১১ টায় থেকে জন্মজয়ন্তীর অনুষ্ঠান শুরু হয়। এদিন সকাল থেকেই দর্শনার্থীরা ও রবীন্দ্র ভক্তদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে কবির স্মৃতিবিজড়িত কাছারিবাড়ি প্রাঙ্গণ। জন্মবার্ষিকী অনুষ্ঠানকে ঘিরে পুরো শাহজাদপুরে রয়েছে উৎসবের আমেজ।
আনন্দ উদযাপনে উপস্থিত ভূমি মন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রেখে যাওয়া স্মৃতি ও সম্পদের দেখভাল করবে সরকার। শাহজাদপুরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জমিদারির গোচরণ ভূমি ও জমি যেন বেদখল না হয় সে বিষয়গুলো গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে।
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মীর মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান সভাপতিত্বে সিরাজগঞ্জ-৬ আসনের সংসদ সদস্য চয়ন ইসলাম, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. শাহ আজম উপস্থিত ছিলেন।

নাটোরের রানী ভবানীর জমিদারীর একটি অংশ শাহজাদপুরের জমিদারী নিলামে উঠলে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পিতামহ প্রিন্স দ্বারকনাথ ঠাকুর ১৮৪০ সালে ১৩ টাকা ১০ আনায় কিনে নেন। ১৮৯০ থেকে ১৮৯৭ এই কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই জমিদারী দেখাশোনার জন্য আসতেন এবং সাময়িকভাবে বসবাসও করতেন।
এখানে বসেই কবি রচনা করেছেন কবিতা সোনারতরী, চিত্র, চৈতালী, কল্পনা, ছোটগল্প, পোষ্ট মাস্টার, রাম কানাইয়ের নির্বুদ্ধিতা, ব্যবধান, তারা প্রসন্নের কীর্তি, ছুটি, সমাপ্তি, ক্ষুধিত পাষাণ, অতিথি, ৩৮টি ছিন্ন পত্রাবলী, প্রবন্ধ ও গীতাঞ্জলীর অংশ বিশেষ, নাটক বিসর্জনের মতো সাহিত্য কর্ম।
মানবতার অবক্ষয়ের যুগেও পরম আশ্রয় রবীন্দ্রনাথ