শেষটা হলো সুমনের কলধ্বনিতে। বিপরীতে নি:শব্দে হাতজোড় করে মঞ্চ
থেকে বিদায় নিলেন কবীর সুমন। এর
আগে ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউটে শনিবার তৃতীয় দিনের গানের সন্ধ্যায় বারবার হলেন স্মৃতিকাতর। জানিয়ে দিলেন তিনি কলকাতা থেকেও বেশি
ভালোবাসেন ঢাকার দর্শক।
শ্রেণিহীন সমাজের চির বাসনাটা ধরে রেখেই মঞ্চে দর্শকের কাছে নতজানু হলেন সুমন। ঢাকার দর্শকদের তিনটি দিন তিনি রেখেছিলেন মন্ত্রমুগ্ধ করে।
তোমাকে চাই গানের ত্রিশ বছর উদযাপনে আয়োজক পিপহোলের প্রথম আয়োজনের শিরোনাম ছিল ‘ভিষণ অসম্ভবে তোমাকে চাই’, দ্বিতীয় দিনে ‘সুমনের বাংলা খেয়াল’ আর শেষ দিনের ট্যাগ লাইন ছিল ‘হঠাৎ ফেরারি কোন স্মৃতিই কাঁদাবে’।
সেই ফেরারি স্মৃতি দখল করে ছিল শেষ দিনের আয়োজনে। কখনও বন্ধু, কখনও ব্যক্তি জীবন, কখনও ফেলে আসা শহর। তবে সব কিছু ছাপিয়ে সুমনের কাছে নায়ক যেন ঢাকার দর্শকই।
তিনদিনের আয়োজনেই এই ঢাকার দর্শকের ভালোবাসা উপভোগ করেছেন কলকাতার সুমন ভক্ত- মনীষা দাশগুপ্তা। এর আগে ১৮ অক্টোবর রীতিমত ঢাকার দর্শককে বাংলা খেয়ালের তালিম দিয়েছেন সুমন।
তবে তিনদিনের আয়োজনেই নানা অব্যবস্থাপনা ছিল চোখে পড়ার মতো। গণমাধ্যম কর্মীদের ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের আনাড়ি কর্মীরা করেছেন র্দুব্যবহার। তবে সুমন ছিলেন ব্যতিক্রম। তার শুরুর দিনটাই যে ছিল দারুন রঙিন।
একাত্তর/আরবিএস
