খুব অল্প বয়সেই হিমাচল ছেড়ে মুম্বাইয়ের উদ্দেশে পাড়ি দেন কঙ্গনা রানাউত। কোনো গডফাদারের ভয়ে নয় বরং নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতেই তিনি ঘর ছাড়েন।
আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে বলা হয়েছে, শুধু কর্মজীবনই নয়, কঙ্গনা ব্যক্তিগত জীবনেও অনেক ঝড়-ঝাঁপটা পেরিয়েছেন। নিজের বাবা-মায়ের কাছ থেকে যে তিনি খুব ভালোবাসা পাননি, তা আগেই জানিয়েছিলেন কঙ্গনা। এবার সেই বক্তব্যেই সিলমোহর দিলেন। জানালেন, একবার ‘গুলি’ করে কঙ্গনাকে হত্যা করতে চেয়েছিলেন তার বাবা অমরদীপ রানাউত।
মনোজ মনুতাসিরকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কঙ্গনা জানান, ছোটবেলা থেকে বাবার কাছ থেকে উৎসাহ পেয়েছিলেন স্বপ্ন দেখার। কিন্তু কঙ্গনার সেই স্বপ্নই যখন বড় হয়ে যায়, মেনে নিতে পারেননি তিনি। মুম্বাইতে ক্যারিয়ার গড়ার স্বপ্ন চেপে বসে কঙ্গনার। কিন্তু পরিবার চাইতো চন্ডীগড়ে নিজের পড়াশোনা চালিয়ে যাক অভিনেত্রী।
কিন্তু অভিনেত্রী যখন পরিবারকে সাফ জানিয়ে দেন- সিনেমার মতো ভিন্ন কিছু পেশায় যেতে চান তিনি। তখন মেয়ের সিদ্ধান্ত কঙ্গনার বাবার কাছে নিঃসন্দেহে এক বড় ধাক্কা ছিলো। শুধু তাই নয়, আশপাশের মানুষ ও সমাজের কাছ থেকে কী প্রতিক্রিয়া আসতে পারে, তা নিয়েও তার বাবা ভয় পেয়েছিলেন।

সব শেষে কঙ্গনার যাবতীয় দায়িত্ব নিতেও অস্বীকার করেন বাবা অমনদীপ।
কঙ্গনার কথায়, আর পাঁচটা রাজপুত পরিবারের পুরুষদের মতো, তার বাবাও রেগে গিয়ে বলেন, আমার রাইফেল নিয়ে আসো, ওকে গুলি করে মেরেই ফেলব।
তবে তার বাবার সে দিনের সিদ্ধান্তের জন্যই তিনি বর্তমানে নিজের পায়ের তলার মাটি শক্ত করতে পেরেছেন বলেই বিশ্বাস কঙ্গনার।
এবার দক্ষিণের পর্দা মাতাবেন কারিনা কাপুর