আগস্টের প্রথম ১৭ দিনেই সারাদেশে প্রায় ১,৪০০ ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে, মারা গেছেন সাত জন। একে নতুন রেকর্ড বলছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
এই রোগীদের ৯০ শতাংশই ঢাকার বাসিন্দা। এবারের ডেঙ্গুতে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন গর্ভবতী নারী ও শিশুরা। আর মৃত্যু ঝুঁকিতে পড়ছেন আগে থেকেই নানা রোগে আক্রান্তরা।
আগস্টে নতুন রেকর্ড গড়লো ডেঙ্গু। ১৭ দিনে সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে এক হাজার ৫১৪ জন। অপর দিকে জুলাই মাসের ৩১ দিনে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছিল এক হাজার ৫৭১ জন।
আগস্টের ১৭ দিনে সারা দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে সাত জনের। জুলাই মাসের ৩১ দিনে ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের।
অন্যদিকে জুন মাসে মারা গেছেন একজন। অর্থাৎ চলতি বছর ডেঙ্গুতে মোট ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।
ভাইরোলজিস্ট ও মেডিসিনের চিকিৎসকরা বলছেন, আগস্টের ৩১ দিনে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা জুলাইয়ের ৩১ দিনের আক্রান্তের দ্বিগুণ হতে পারে।
এর আগে জুলাইয়ে রোগীর সংখ্যা ছিলো ৫৮১ জন। রোগী বেড়েছে প্রায় আড়াই গুণ। এই রোগীদের ৯০ শতাংশই ঢাকার বাসিন্দা।
এবার গর্ভবতী নারী ও শিশুদের মধ্যে ডেঙ্গুন ঝুঁকি বেশি দেখছেন চিকিৎসকরা। ঢাকার নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং শিশু হাসপাতালগুলোতে এই দুই শ্রেণীর রোগীই বেশী।
তবে, ডেঙ্গুতে যারা মারা যাচ্ছেন তাদের অধিকাংশই আগে থেকে নানা রোগে ভুগছিলেন। অর্থাৎ রোগাক্রান্তরা ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে তাদের মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ছে।
আরও পড়ুন: ডিমের দাম বাড়ার পেছনে সংঘবদ্ধ কয়েক ব্যবসায়ীর কারসাজি
ডেঙ্গুর বিস্তার ঠেকাতে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের এলাকার তথ্য দুই সিটি কর্পোরেশনে পাঠাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সেই তথ্যের নিয়ে এডিস নির্মূলের অভিযান চালালে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।
চিকিৎসকরা বলছেন, ঢাকায় মশানিধনের প্রতি বেশি জোর দিতে হবে। শুধুমাত্র লোক দেখানো মশা না মেরে প্রকৃতপক্ষে যেখানে ডেঙ্গু জীবাণুবাহী এডিস মশা ডিম ছেড়ে বাচ্চা উৎপাদন করতে পারে সেখানে ওষুধ ছিটাতে হবে যেন বয়স্ক মশা, লার্ভা ও ডিম নষ্ট হয়ে যায়।
একাত্তর/এসজে
