এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ থেকেই দেশে হামের টিকা আসা শুরু হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যসচিব মোহাম্মদ কামরুজ্জামান চৌধুরী। সোমবার (৩০ মার্চ) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর মধ্যকার এক বৈঠক শেষে এ তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্যসচিব জানান, সরকার টিকা কেনার জন্য ক্রয় কমিটিতে ৬০৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে এবং দ্রুততম সময়ে এই টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে।
বৈঠক শেষে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে একটি যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করবে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র। মা ও শিশু স্বাস্থ্য রক্ষায় দেশটির সহায়তা চাওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী স্পষ্ট করেন, কোনো দেশ বাংলাদেশের ওপর কিছু চাপিয়ে দেবে না; বরং দেশের নিজস্ব নীতিমালা বজায় রেখেই এই সহযোগিতা চলবে।
মন্ত্রী জানান, সাম্প্রতিক সময়ে হামের প্রকোপ বাড়ায় ডিএনসিসি হাসপাতালসহ বিভিন্নস্থানে চিকিৎসা সুবিধা বাড়ানো হয়েছে। দেশে ২০১৮ সালের পর হামের বড় কোনো ক্যাম্পেইন না হওয়ায় যারা টিকা নেয়নি, তাদের মধ্যেই রোগটি বেশি ছড়াচ্ছে। উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় আরও ২০টি ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন বলেন, বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে যুক্তরাষ্ট্র একটি বড় অংশীদার। পোলিওসহ বিভিন্ন সংক্রামক রোগ দমনে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে পাঁচ বছরের একটি কর্মপরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে তারা।
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে নিয়মিত আর্থিক সহায়তা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।
স্বাস্থ্যসচিব জানান, টিকার জন্য ইউনিসেফকে টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে টিকা দেশে পৌঁছানোর পরপরই সারা দেশে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে।
জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুত ও পাচারের তথ্য দিলে লাখ টাকা পুরস্কার