নিজেদের সীমান্ত আবারও খুলে দেয়ার পরিকল্পানার কথা জানিয়েছে নিউজিল্যান্ড।
এছাড়া আগামী বছর থেকে ধাপে ধাপে বিদেশিদেরও দেশটিতে প্রবেশের সুযোগ দেয়া হবে।
পূর্ণ টিকাপ্রাপ্তরা ৩০ এপ্রিল থেকে নিউজিল্যান্ডে প্রবেশ করতে পারবে এবং পৌঁছানোর পর সাত দিন সেলফ আইসোলোশনে থাকবে। একই নিয়ম অনুসরণ করে নিউজিল্যান্ডের আরও বেশি নাগরিক দেশটি ভ্রমণের সুযোগ পাবে।
সীমান্ত খুলে দেয়ার প্রথম ধাপে পূর্ণ টিকাপ্রাপ্ত নিউজিল্যান্ডের নাগরিক ও বাসিন্দারা ১৬ জানুয়ারি থেকে দেশে প্রবেশের সুযোগ পাবেন। বর্তমানে তারা অস্ট্রেলিয়ায় রয়েছেন।
অন্য দেশে থাকা নিউজিল্যান্ডের নাগরিকেরা ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশে প্রবেশের সুযোগ পাবেন। আর সবশেষ ধাপে বিদেশি পর্যটকেরা ৩০ এপ্রিল থেকে নিউজিল্যান্ডে প্রবেশ করতে পারবেন।
চলতি বছরের শুরুর দিকে অত্যন্ত সংক্রামক করোনার ডেলটা ধরনের প্রাদুর্ভাব নিউজিল্যান্ডকে কোভিড মোকাবিলার কৌশলে পরিবর্তন আনতে বাধ্য করে।
দেশটির প্রধান শহর অকল্যান্ড এখন টিকা দেওয়ার হার বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ধীরে ধীরে বিধিনিষেধ শিথিলের পথে হাঁটছে কর্তৃপক্ষ।
শিশুদের টিকা দেয়া শুরু করেছে ইসরাইল

দেশটির করোনা বিষয়ক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সালমান জারকা বলেন, শিশুদের ক্ষেত্রে করোনার আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কম।
তবে, দীর্ঘমেয়াদি উপসর্গের উপস্থিতির কারণে জটিলতা তৈরি হতে পারে। করোনার টিকা দিলে শিশুদের সুরক্ষা এবং অভিভাবকদেরও স্বাভাবিক হবে জীবনযাপন।
ইসরাইলে প্রায় ১২ লাখ শিশুর বয়স পাঁচ থেকে ১১ বছরের মধ্যে। দেশটিতে করোনার তৃতীয় ঢেউয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা। তাই, দ্রুত শিশুদের টিকা দিতে চায় ইসরাইল।
গ্রীষ্মকালজুড়ে ইসরাইলে করোনার সংক্রমণ বেড়েছে। মূলত, করোনা ভাইরাসের অতি সংক্রামক ধরন ডেলটার কারণে নতুন করে এ প্রকোপ শুরু হয়।
করোনার এমন সংক্রমণ ঠেকাতে যেসব দেশে টিকার বুস্টার ডোজ দেওয়া শুরু
হয়েছে, সেগুলোর অন্যতম ইসরাইল।
একাত্তর/এসএ
