শেষ দিকে এসে ইমরান খান বুঝতে পেরেছিলেন তিনি আর
কিছুতেই গদি রক্ষা করতে পারবেন না। সেই জন্য শেষ মুহূর্তে অনাস্থা প্রস্তাব খারিজ
করে সংসদও ভেঙ্গে দেন।
কিন্তু সবশেষ ইনসুইং দেশটির সুপ্রিম কোর্ট সীমানাছাড়া করার পর সাবেক বিশ্বজয়ী ক্রিকেট তারকার আর কিছুই করার থাকে না। শেষ পর্যন্ত আস্থা ভোটে হেরেই বিদায় নিতে হয় তাকে।
বিদায় নেয়ার বেশ কিছু দিন আগ থেকেই প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গে পাকিস্তানের সেনা প্রধান কামার জাভেদ বাজওয়ার সঙ্গে সম্পর্কের টানপোড়েন চলছিলো।
সেই কারণে ইমরান খান শেষ মুহূর্তে গদি বাঁচাতে সেনাপ্রধান বাজওয়াকে সরাতেও উদ্যোগী হয়েছিলেন বলে দাবি করেছে পাকিস্তানের বেশ কিছু গণমাধ্যম।
আরও পড়ুন: হাওরে বাঁধ ভেঙ্গে ফসলের ক্ষতির ঘটনায় তদন্ত কমিটি
শনিবার রাতে হেলিকপ্টারে করে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে আসেন দুই সেনা কর্মকর্তা। ইমরানের সঙ্গে তাদের প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে বৈঠক হয়।
কিন্তু ওই বৈঠকের এক ঘন্টা আগে এক শীর্ষ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করেন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। তবে এই কর্মকর্তার নাম সরকার থেকে প্রকাশ করা হয়নি।
সেদিন রাতে ইমরানের সঙ্গে দেখা করতে আসা দুই শীর্ষকর্তা সেনা প্রধান কামার জাভেদ বাজওয়া ও আইএসআই প্রধান নাদিম আহমেদ অঞ্জুম হতে পারেন বলে সূত্রের খবর।
একাত্তর/আরবিএস
