পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান দাবি করেছেন, সরকারের সঙ্গে তার কোনো চুক্তি হয়নি। রক্তপাত এড়াতেই আজাদি মার্চের কর্মসূচি বাতিল করেছেন তিনি। ইমরান খান লংমার্চ বাতিল করার পর প্রশ্ন উঠেছে তিনি সরকারের সঙ্গে গোপনে চুক্তি করেছেন।
শুক্রবার পেশোয়ারে এক সংবাদ সম্মেলনে ইমরান খান দাবি করেন, বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়েই লংমার্চ বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। প্রয়োজনে আবারও এই কর্মসূচি দেয়া হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি। সেই সঙ্গে লংমার্চ পুলিশ মোতায়েনের তীব্র সমালোচনাও করেন।
তিনি বলেন, আমার কর্মীরা আমাকে প্রশ্ন করছেন, কেন আমি আজাদি মার্চ তুলে নিলাম। আমি তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, আমি ১২৬ দিন অবস্হান ধর্মঘট করা মানুষ।
এবারও সেই কাজটি করা আমার জন্য কঠিন কিছু নয়। তবে বর্তমান পরিস্হিতি খুব খারাপ। সেটা বিবেচনায় নিয়েই আমি লংমার্চ বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তবে সরকার দ্রুত নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা না করলে প্রয়োজনে আবারও এই কর্মসূচি দেয়া হবে।
ইমরান খান আরও বলেন, লংমার্চ বাতিলকে দুর্বলতা মনে করবেন না এবং মনে করবেন না যে একটি চুক্তি হয়েছে। আমি অদ্ভুত জিনিস শুনছি যে, সংস্থার সাথে একটি চুক্তি করা হয়েছিল।
আমি কারও সাথে চুক্তি করিনি- উল্লেখ করে তিনি বলেন, একমাত্র তার কর্মের পেছনে উদ্দেশ্য ছিলো দেশের জন্য উদ্বেগ। তিনি এটাও স্পষ্ট করেছেন যে পিটিআই আমদানি করা সরকারের সাথে আলোচনা করবে না বা তাদেরকে মেনে নেবে না।
তবে সরকার যদি জুনে নতুন নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করে, তবে তারা অন্যান্য ইস্যু নিয়ে সরকারের সাথে আলোচনা করতে রাজি আছেন বলেও জানান ইমরান খান।
এদিকে, ইমরানের আজাদি মার্চ মোকাবিলায় নিরাপত্তা খাতে সরকারের ১৪৯ মিলিয়ন পাকিস্তানি রুপি খরচ হয়েছে বলে জানা গেছে।
এই পরিমাণ অর্থ চেয়ে সরকারের কাছে আবেদনও জমা দিয়েছে পুলিশ। যদিও পুলিশের আইজি ড. আকবর নাসির খান এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি।
একাত্তর/এআর
