ইউক্রেনে অবস্থিত ইউরোপের বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র জাপোরিঝিয়ায় আবারো বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।
এ হামলার জন্য একের অপরকে দোষারোপ করেছে রাশিয়া ও ইউক্রেন। এদিকে এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে রাশিয়াকে দ্রুত ওই এলাকা ছেড়ে চলে যেতে বলেছে জাতিসংঘ।
দক্ষিণ ইউক্রেনে ইউরোপের সবচেয়ে বড় পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রে জাপোরিঝিয়া বৃহস্পতিবার আবারো একাধিক বিস্ফোরণে কেপে ওঠে। কেন্দ্রটি আপাতত রাশিয়ার দখলে।
ইউক্রেনের প্রশাসন জানিয়েছে, পরমাণু কেন্দ্রটির ভিতর যেখানে প্রথম বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রটি আছে সেখানে বিস্ফোরণ হয়েছে।
এছাড়াও তেজস্ক্রিয় পদার্থ মজুত রয়েছে যে সব জায়গায় সেখানেও বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। হামলার জন্য রাশিয়াকে দায়ী করেছে ইউক্রেন।
পরমাণু কেন্দ্রে হামলার জন্য মস্কোর বিরুদ্ধে পশ্চিমা বিশ্ব ও জি-সেভেনভুক্ত দেশগুলোকে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছে কিয়েভ।
তবে, পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে মস্কো। পরমাণু ইস্যুতে রাশিয়াকে চাপে ফেলতেই মিথ্যাচার করা হচ্ছে বলেও দাবি তাদের।
এমন উদ্বেগজনক পরিস্থিতি নিয়ে বৃহস্পতিবারের ঘটনার পর জাতিসংঘের প্রধান আন্তোনিও গুতেরেস জানিয়েছেন, ওই পরমাণু কেন্দ্রটিকে সেনাহীন করতে হবে।
রাশিয়াকে দ্রুত ওই এলাকা ছেড়ে চলে যেতে বলেছেন তিনি। অন্যদিকে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞ দল পাঠানোর আহবান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন।
এদিকে রুশ বাহিনীকে মোকাবিলায় নিজেদের সামরিক কৌশল ফাঁস হওয়া নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।
বৃহস্পতিবার সামরিক কৌশল ফাঁসে জড়িত কর্মকর্তাদের চিহ্নিত করতে তদন্ত শুরু করেছে দেশটি।
এদিকে রুশ বাহিনীর হামলা প্রতিহতে ইউক্রেনকে আরও মাল্টিপল-লঞ্চ রকেট সিস্টেম ‘এমএলআরএস’ পাঠাতে যাচ্ছে যুক্তরাজ্য।
ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী বেন ওয়ালেস জানিয়েছেন, অস্ত্রের সরবরাহের মাধ্যমে রাশিয়ার ভারী কামানের আঘাত থেকে রক্ষা করতে পারবে ইউক্রেন।
একাত্তর/এসজে
