ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মঙ্গলবার দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন ৪৭ বছর বয়সী লিজ ট্রাস। এরইমধ্যে ব্রিটিশ-রাশিয়া কূটনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। কিন্তু ট্রাসের ক্ষমতা গ্রহণ দু’দেশের সম্পর্ক উন্নতির ক্ষেত্রে কোনো কাজে আসবে না বলে মনে করে মস্কো।
সোমবার (৫ সেপ্টেম্বর) ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেছেন, যুক্তরাজ্য-রাশিয়ার তিক্ত সম্পর্ক ট্রাসের আমলে আরও খারাপের দিকে যেতে পারে -এমন আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
যুক্তরাজ্যের সঙ্গে সম্পর্ক পরিবর্তন নিয়ে মস্কো নতুন কিছু ভাবছে কিনা- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে পেসকভ এসব মন্তব্য করেন বলে জানিয়েছে যুক্তরাজ্যের দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট পত্রিকা।
এ সময় পেসকভ বলেন, আমি মনে করি না আমরা ইতিবাচক কোনো কিছু আশা করতে পারি।
তিনি আরও বলেন, আমি বলতে চাই না যে, সম্পর্ক খারাপের দিকে যাবে, কারণ এর চেয়ে খারাপ কিছু কল্পনা করা কঠিন। কিন্তু দুঃখজনক, এমন কিছু হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
পেসকভের অভিযোগ, যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের সময় ‘রাশিয়া বিরোধিতায় ভরপুর’ ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী পদের প্রার্থীরা রাশিয়া বিরোধী বক্তব্য রেখে প্রচার চালিয়েছেন। তারা রাশিয়ার বিরুদ্ধে আরও পদক্ষেপ নেওয়ার হুমকিও দিয়েছেন। এ কারণে সম্পর্কের উন্নতি হওয়ারও কিছু নেই।
রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ট্রাসকে একটি অভিনন্দন বার্তা পাঠাবেন কিনা জানতে চাইলে পেসকভ বলেন, আসুন অপেক্ষা করি এবং দেখি কে প্রধানমন্ত্রী হন।
আরও পড়ুন: ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবনে শেখ হাসিনাকে গার্ড অব অনার
এর আগে সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ১১টার দিকে ব্রিটেনের ক্ষমতাসীন দল কনজারভেটিভ পার্টির পক্ষ থেকে ভোটের ফল ঘোষণা করা হয়। এতে ট্রাস ২০ হাজারেরও বেশি ভোটে জিতেছেন। মোট বৈধ ভোটের মধ্যে ট্রাস পেয়েছেন ৮১ হাজার ৩২৬টি ভোট। আর ঋষি সুনক পেয়ছেন ৬০ হাজার ৩৯৯টি।
বিবিসি'র খবরে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার গ্রেট ব্রিটেনের রানী কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে বরিস জনসনের স্থলাভিষিক্ত হবেন তিনি। তৃতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ক্ষমতায় বসছেন ট্রাস।
একাত্তর/আরবিএস
